করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের, বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির..

সারা বিশ্বজুড়ে মরন ভাইরাস করোনার আতঙ্ক,আর এমন মরন ভাইরাস করোনাকে আটকাতে সমস্ত রকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সারাবিশ্ব, কিন্তু কোনো দেশেই সম্পূর্ণরূপে এতে সাফল্য লাভ করতে পারছে না। কিছুদিন আগে এ কথা শোনা যাচ্ছিল যে চীনের গবেষকরা তরফ থেকে এই মরণ ভাইরাস করোনা কে রুখতে ভারতের আয়ুর্বেদ বিদ্যাকে কাজে লাগানো হচ্ছিল তাদের দেশে যেসব আয়ুর্বেদ চিকিৎসকেরা ছিলেন তারা জানায় এই আয়ুর্বেদ বিদ্যাকে কাজে লাগিয়ে তারা অনেকখানি সাফল্য লাভ করেছে, যার পর ভারতের তরফ থেকে এই আয়ুর্বেদ বিদ্যাকে কাজে লাগানোর নিয়ে একাধিক চিন্তাভাবনা চলছিল এমনকি শোনা যাচ্ছিল ভারত সরকার থেকে একই পথে হাঁটছে। তবে এবার সেই বিষয় নিয়ে করোনার মোকাবিলায় আয়ুর্বেদের বৈজ্ঞানিক বৈধতা জানতে টাক্সফোর্স এর গঠন করছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী এমনটাই জানতে পারা গেছে। এই তথ্য খুদ আয়ুষ মন্ত্রালয়ের রাষ্ট্রপতি শ্রীপদ নায়ক জানিয়েছেন। তাদের তরফ থেকে প্রথমত আয়ুর্বেদের যেসব প্রথাগত ওষুধগুলি রয়েছে সেগুলি নিয়ে করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা করা যায় কিনা তার প্রস্তাব আইসিএমআরের কাছে পাঠানো হয়েছে। যদিও প্রথম প্রথম যখন অন্যান্য বিশ্বে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ এর কথা শোনা যাচ্ছিল সেই সময় কেন্দ্রের সরকারি দলের কিছু নেতা ও পদাধিকারীরা করোনা মোকাবেলাতে গোমূত্রের কথা বলেছিলেন।যদিও এখন আর দেশব্যাপী এই করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর সে কথা আর শোনা যাচ্ছে না। এই বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফ থেকে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়েছে সেখানে জানানো হয়েছে আপাতত এই করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আয়ুষমন্ত্রকের কাছে প্রায় 2000 টির ও বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছে। তবে এবার সেই সব দিকে বৈজ্ঞানিক বৈধতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে একটি বিশেষ টাক্সফোর্স এর গঠন করা হয়েছে।আর আপাতত এইসব প্রস্তাব গুলিকে আয়ুস মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে, যা পরবর্তীকালে প্রয়োজন পড়লে আইসিএমআর কাছে পাঠানো হতে বলেও জানানো হয়েছে। অন্যদিকে কিছুদিন আগে চীনের তিনটি বৈজ্ঞানিকের  তরফ থেকে এই বিষয়ে একটি গবেষণা পত্র 4 ই মার্চ ‘এলসভিয়ার’ নামক মেডিকেল জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে এছাড়াও প্রকাশ করা হয়েছে ‘সাইন্স ডিরেক্টর’ জার্নালেও। আসলে কী এই ওষুধ? ওষুধের উপাদান বলতে রয়েছে আদা হলুদ, দারচিনি, যষ্টিমধুর মতো কতক গুলি পরিচিত উপাদান। এই ধরনের প্রায় 12 টি মসলা মিশিয়ে এই পাঁচনটি তৈরি করা হয়েছে। এটি খেয়ে নাকি করোনা আক্রান্ত রোগীরা চাঙ্গা হয়ে যাচ্ছেন। এমনটাই দাবি করা হয়েছিল চীনা বৈজ্ঞানিক দের তরফ থেকে।

Related Articles

Close