বালাকোটে ভারতের এয়ার স্ট্রাইকের দরুন নিহত হয়েছে 200 জনেরও বেশি জিহাদী, প্রকাশ্যে এল পাকিস্তানের স্বীকারোক্তি।

26 শে ফেব্রুয়ারির পাকিস্তানের বালাকোটে করা ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে আরো এক নতুন তথ্য এলো সামনে। বালাকোটে নিহত জঙ্গিদের দেহ সেখান থেকে সরিয়ে ফেলেছে পাকিস্তানি সেনা। পাকিস্তানের কিছু আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা ও খাইবার- পাখতুনওয়া এলাকায় দেহ সরিয়ে ফেলা হয়। এএনআই সংবাদ সংস্থার তরফ থেকে এই খবর প্রকাশে আনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে অনেক জঙ্গির মৃতদেহ সরানো হয়েছে। তবে এই দাবি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিলগিট এর এক মানবাধিকার কর্মী।সাথে তিনি একটি ভিডিও টুইট করেছেন টুইটারে, যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে পাকিস্তানের বালাকোটের ভারতের এয়ার স্ট্রাইকের দরুন অন্তত 200 জনের বেশি জঙ্গি নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিচ্ছে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর আধিকারিক।


তাদের দাবি পাকিস্তানে সরকারের পক্ষ নিয়ে তারা শত্রুর বিরুদ্ধে জেহাদ করছিল তাই ওপরওয়ালার কাছে তারা বিশেষ মর্যাদা পাবে। এএনআই এর সংবাদ সংস্থাকে শেরিং জানিয়েছে, এই ভিডিও সত্যতা নিয়ে তাদের মনে এখনো প্রশ্ন রয়েছে। তবে এটা স্পষ্ট যে বালাকোট এ কিছু একটা হচ্ছে। আর পাকিস্তান অনেক কিছু লুকিয়ে রেখেছে। সেইদিন প্রশ্ন করে যখন পাকিস্তান দাবি করছে বালাকোটের জঙ্গলে হামলা চালিয়েছিল ভারত কিন্তু তার ফলে কোন জঙ্গি নয় গাছ নষ্ট হয়েছে। তাহলে ওই এলাকা কে কেনো ঘিরে রাখা হয়েছে? আর এতদিন ধরে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে সেখানে কেন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পাকিস্তান? তবে এখানেই শেষ নয় শেরিং আরও দাবি করে বলেন পাকিস্তানের কিছু উর্দু সংবাদ মাধ্যম মিটার সরানোর বিষয়টিকে প্রকাশ করেছিল। আর একইসঙ্গে জইশ-ই- মহম্মদ বালাকোটের নিজেদের মাদ্রাসার অস্তিত্ব স্বীকার করে নিয়েছিল এর থেকে প্রমাণিত হয় যে ভারতীয় বায়ুসেনা বালাকোটে যে হামলা চালিয়েছিল তা সফল হয়েছে।

 

যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন কাশ্মীরের পুলওয়ামায় 14 ই ফেব্রুয়ারি জঙ্গিহানা হয় আর যার ফলে 40 জনেরও বেশি সিআরপিএফ জওয়ান শহীদ হয়। আর এই জঙ্গি হামলার পরেই এর দায় স্বীকার করেছিল পাকিস্তানের মদদ পুষ্ট জইশ-ই-মহম্মদের সংগঠন। আর এই ঘটনার 12 দিন পরেই প্রত্যাঘাত করে ভারতীয় বায়ুসেনা। যার দরুন ভারতীয় বায়ুসেনা এয়ার স্ট্রাইক চালায় তবে এর ফলে কোনো প্রকার ক্ষতি হয়নি বলে বরাবর দাবি করে আসছিল পাকিস্তান। আর তাদের এই দাবির সত্যতা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল এবার।

Related Articles

Back to top button