দেশজুড়ে হওয়া CAA আন্দোলন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন দেশের সেনাপ্রধান…

যখন থেকে কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে ঘোষণা করছেন তখন থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন-বিক্ষোভের, এমনকি রাজ্যেও বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিয়েছে একাধিক বিক্ষোভ।বর্তমানে সারা দেশজুড়ে এখন একটি কথা CAA এবং NRC। CAA এবং NRC নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল সারাদেশ। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল যেদিন থেকে আইনে পরিণত হয়েছে সেই দিন থেকে লোকের মধ্যে নানান ধরনের ভয় কাজ করছে।

তবে এবার এই CAA বিরোধী আন্দোলনের জেরে অবশেষে মুখ খুললেন ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত।তিনি বলেন এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কে নিয়ে দেশজুড়ে অশান্তি ছড়ানো ও সরকারি সম্পত্তির নষ্ট করা সাধারণ মানুষকে ভুলভাল দিকে চালনা করা হচ্ছে। এমনকি পড়ুয়াদের নেতৃত্বে বিভিন্ন মিছিল থেকে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে একাধিক জায়গাতে।এরকম এ ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন হিংসা অশান্তিতে নেতৃত্ব দেওয়া আদর্শ নেতাদের কাজ নয় মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে।

তবে সেনা প্রধানের এরকম মন্তব্যের জেরে পাল্টা মন্তব্য করতে বাদ যায়নি CAA বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও। এই সব রাজনৈতিক দলের দাবি সেনাপ্রধান কে এই বিষয়ে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা দরকার। আজ বৃহস্পতিবার দিন এক অনুষ্ঠানে দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন দেশের নাগরিকত্ব আইন সম্পর্কে ভালভাবে জানার প্রয়োজন আছে মানুষের আর তার জন্য আইনটা পুরো পড়া দরকার আছে সকলের।

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে যবে থেকে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেছেন তবে থেকে এই বিলটি আইনে পরিণত হয়েছে আর তারই সাথে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা দিয়েছে বিক্ষোভ অশান্তি। বিভিন্ন জায়গায় এই আইনকে নিয়ে প্রত্যাহারের দাবি উঠতে শুরু করেছে। তবে সেনাপ্রধানের এরকম মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন একাধিক বিরোধীদল। যেখানে বামেরা কটাক্ষ করে বলেছেন উনি সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিন না। অন্যান্য বিরোধী দলগুলির আরজি রাজনীতি থেকে দূরে থাকার সেনাপ্রধানকে।

আর এই নিয়ে AIMIM নেতা আসাউদ্দিন ওয়াইসিও সেনা প্রধানকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। অন্যদিকে এই বিষয়ে হায়দ্রাবাদের সংসদ বলেন, প্রতিবাদের অধিকার সাংবিধানিক স্বীকৃতি এইগুলি আমজনতার নাগরিকবিধি নাগরিক বিষয়ে নাক গলাচ্ছেন কেন? ওয়েইসি আরও বলেন, ‘উনি তাে মােদী সরকারকেই ছােট করছেন। কারন প্রধানমন্ত্রীই এক সময় নিজের ওয়েবসাইটে লিখেছেন,জরুরী অবস্থার সময় তিনি রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন।তবে সেনাপ্রধানের মতে কী সেটাও ভুল!’এদিকে কংগ্রেস নেতা ব্রিজেশ কালাপ্পা টুইটারে লেখেন,’ সেনা প্রধান CAA বিরােধী আন্দোলনের বিপক্ষে কথা বলছেন। এটা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। ‘