আপনি কী অনলাইনে আর্থিক প্রতারণার শিকার! মাত্র 10 মিনিটে আপনার খোয়া টাকা ফেরত এনে দিবে “সাইবার সেফ”

ব্যাংকের কর্মী সেজেই হোক কিংবা কোন অ্যাপস এর মাধ্যমেই হোক না কেনো যদি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করে আপনার ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা হাবিস করে দেওয়া হয় তাহলে সেই টাকা দশ মিনিটের মধ্যে ফেরত এনে দিতে পারবে “সাইবার সেফ”। এই সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেবে প্রতারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সাথে সাথে ফোন করে বন্ধ করা যাবে এটিএম প্রতারণার সম্ভাবনাকেও। ইতিমধ্যে এই নিয়ে প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুলিশের কয়েকজন অফিসারকে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়ে গেছে।

ব্যাংকের কর্মী বলে নিজেদের পরিচয় দিয়ে ব্যাংকের গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের সমস্ত ডিটেইলস নিয়ে তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে বের করে নেওয়া হয় টাকা।তাছাড়া ঠিক একই রকম ভাবে কোনো অ্যাপসের বা কোন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক পাঠিয়ে করা হয় ঠিক এই রকমই প্রতারণা। তবে এই দুটি ক্ষেত্রেই গ্রাহকদের পাঠানো হয় ওটিপি, বরাবরা ব্যাংকে তরফ থেকে তাদের গ্রাহকদের এই বিষয় নিয়ে সচেতন করা হলেও কিছু গ্ৰাহকেরা এইসব প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে যায়।

তবে এই প্রতারণার শিকার শুধু কলকাতার মানুষদের নয় সারা দেশের মানুষদের হতে হয়। আর সেই কারণেই সারা দেশজুড়ে প্রতিটি শহর ও রাজ্যের পুলিশ কেন্দ্রীয় সংস্থা ও গোয়েন্দা বিভাগের জুড়ে এক ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করেছে যার নাম “সাইবার সেফ”। আর এতে সামিল হয়েছে কলকাতা পুলিশও। কলকাতা পুলিশের এক্ষেত্রে সাইবার নোডাল অফিসার হচ্ছেন ডিসি। তবে এই সফটওয়্যার এর সুবিধা কী?

বলে রাখি এই সফটওয়ারটি যদি একবার চালু করা হয়ে যায় তাহলে কোনো গ্ৰাহকেরা যদি ভুলবশত বা এই প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে ফোনে আসা ওটিপিও যদি তাদের দিয়ে দেন সেক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হবে না। শুধু যাকে এইভাবে প্রতারণা করা হয়েছে সে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পুলিশকে এই ঘটনাটি জানান। আর একবার পুলিশকে ঘটনাটি জানানোর পরই সেই প্রতারকের ফোন নম্বরটি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তদন্ত শুরু করে দেবে ওই সফটওয়্যার টি। কয়েক মিনিটের মধ্যেই জানতে পারা যাবে ওই প্রতারক এর পরিচয় এবং তার ব্যাংকে যাবতীয় অ্যাকাউন্টের তথ্য।

শুধু তাই নয় এর মাধ্যমে এমনকি যে অনলাইন ওয়ালেটের মাধ্যমে অভিযোগকারী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে মিলবে সেই তথ্যও। আরে ক্ষেত্রে মিনিট দশেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে প্রতারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও অনলাইন ওয়ালেট। আর তারপরই অভিযোগকারী ফেরত পেয়ে যাবেন তার টাকা। তাই এই সফটওয়্যার টিকে যত জলদি সম্ভব সহ সারা দেশজুড়ে চালু করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সাইবার পুলিশ ডিপার্টমেন্ট।