লাদাখ সীমান্তে চীনকে যোগ্য জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে ভারত, অ্যাকশন মুডে ফাইটার অ্যাপাচি হেলিকপ্টার…

সীমান্ত বিবাদ নিয়ে বর্তমানে ভারত এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে পৌঁছেছে, এর মধ্যে দুই দেশের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে লাদাখ সীমান্ত অঞ্চল।চাইনিজ সেনার বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনারা একেবারে পাল্টা আঘাত হানতে প্রস্তুত রয়েছে। তাছাড়া এ পরিস্থিতি যাতে যুদ্ধের মধ্যে না এগোয় তার জন্য এই বিষয়ে একাধিক বার চীনের সাথে বৈঠক করেছে ভারত, সীমান্ত নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে এই নিয়ে ছয়’বার বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে তবে তার ফল শূন্য। অন্যদিকে উল্টে চীন বারবার অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে ভারত সেনারা নাকি তাদের উপর ফাইরিং করতে শুরু করেছে শুধু তাই নয় চীনের অভিযোগ শীত পড়লে তাদের ওপর আক্রমণ করার জন্য বসে রয়েছে ভারত।

 

তবে চীনের এরকম বার্তা প্রকাশ্যে আসার পরই এ কথা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে তাদের প্রশাসক জিনপিং এর সরকার এই মুহূর্তে অন্যের কাঁধে বন্দুক রেখে এই ষড়যন্ত্রে নেমে পড়েছে। তবে ভারতও কিন্তু এবার চুপচাপ বসে নেই সীমান্ত বিভাগ নিয়ে এই সংঘর্ষের মধ্যে চীনা সেনাদের দমন করতে কিস্তওয়ার জেলাতে ফাইটার অ্যাপাচি হেলিকপ্টার নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। এমন অবস্থায় ভারতীয় সেনারাও আর্টিলারি মুভমেন্ট ও লড়াকু বিমানের মুভমেন্ট শুরু করেছে। যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে বলে রাখি এই অ্যাপাচি হেলিকপ্টার কে প্রধানত কমব্যাট রোল প্লে করার জন্য ব্যবহৃত করা হয়ে থাকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর মতো বড়-বড় অপারেশনের জন্য অ্যাপাচি হেলিকপ্টার এর জুরি মেলা ভার।

এছাড়া যে কোনো প্রতিকূল পরিবেশে হোক না কেন দিন হোক রাত এই অ্যাপাচি হেলিকপ্টার সব সমস্যার সমাধান বের করে আনতে সক্ষম। তাছাড়া এই হেলিকপ্টার এর মধ্যে দুটি ইঞ্জিন থাকার কারণে এটি প্রবল গতি নিয়ে টার্গেট এর দিকে আক্রমণ করতে সক্ষম হয়।তাই ভবিষ্যতে যদি পরিস্থিতি খারাপের দিকে এগোয় তার জন্য ভারতীয় সেনারা তাদের নিজেদের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে আর এক্ষেত্রে চীনের একটা ভুল ভারতীয় সেনাকে অ্যাটাকিং মোডে আনতে পারে। জরুরী কালীন পরিস্থতিতে ব্যবহৃত করা হবে এটি, অন্যদিকে এ বিষয়ে এসএসপি হরমিত সিং মেহতা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার নামানো হয়েছিল।

লাদাখ অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে জরুরীকালীন অবস্থায় এই হেলিপ্যাড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এখানে একটি ছোট বিমান তৈরির কাজ খুব শীঘ্রই শুরু করা হবে। তাছাড়া এই কিস্তওয়ারা খুবই সংবেদনশীল এলাকা যেখানে ভারত ইতিমধ্যে নিজের স্থিতিকে মজবুত করতে নেমে পড়েছে। ভারত চীনের বেশ কয়েকটি অবৈধ অনুপ্রবেশকে রুখে দিয়েছে এবং সাথে সাথে ব্ল্যাক টপের মধ্যে এলাকা নিজের দখলে করেছে ভারতীয় সেনা।