চীনের মায়াজালে জড়িয়ে আবারো দেউলিয়া হওয়ার পথে আরো এক দেশ, যেকোনো সময় করতে পারে কব্জা চীন

করোনা মহামারী আসার পর চীন সম্পর্কে সকল দেশের একটা স্পষ্ট ধারণা তৈরী হতে শুরু করেছে। চীন যে মূলত কিছু দেশকে নিজের কব্জায় রেখে সমগ্র বিশ্বকে নিজেদের হাতের মুঠোয় রাখতে চায় তার প্রমানও মিলেছে। কিছু কিছু দেশকে আবার নিজেদের হাতের মুঠোয় রাখতে এই করোনা মহামারির সময়ও ঋণ দেওয়ার পথেও এগিয়েছে চীন। কিছুদিন আগেই ঋণ নেওয়ায় বুমেরাং হয়েছে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ শ্রীলংকার। এবার তার সঙ্গে যোগ দিলো ইউরোপের একটি ছোট্ট দেশ মন্টিনিগ্রো। সকলের কাছে স্পষ্ট হচ্ছে চীনের এই চক্রান্ত।

একটি সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায় চীনের একটি রাষ্ট্র পরিচালিত ব্যাংক মন্টিনিগ্রো কে একটি হাইওয়ে প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছিল। যা চীনের প্রধান জিনপিংয়ের স্বপ্নের প্রকল্প। কিন্তু ঋণ নিয়ে বর্তমানে সেই প্রকল্প সম্পূর্ণ করতে অক্ষম হয়েছে মন্টিনিগ্রো। স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় চীন সরকারের পক্ষ থেকে চাপ দিতে শুরু করেছে মন্টিনিগ্র সরকারের উপর। চীন সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই অর্থ যদি চীনকে ফেরত দিতে না পারে তবে সেই দেশের জমি অধিগ্রহণ করবে জিনপিংয়ের দেশ।

সূত্রের খবর অনুসারে চীনের দেওয়া ১০০ কোটি ডলার দিয়ে মন্টিনিগ্রোর ২৭০ মাইল বিশাল হাই ওয়ে নির্মাণের কথা ছিল সে দেশের সরকারের। এবং এই মাসে তাদের ঋণের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ছিল চীন সরকার কে। বর্তমানে মন্টিনিগ্রো কাঙ্গাল অবস্থা। হাতে কোন টাকা নেই দেবার মত। মন্টিনিগ্রো সরকার যখন এই ঋণ নিয়েছিলেন তখন চীনের সমস্ত শর্ত মেনে নিয়েছিলেন যার মধ্যে অন্যতম ছিল এই প্রকল্পের বিষয়ে কোনো সমস্যা তৈরী হলে সমাধান করা হবে চীনের আদালতে।

তবে বর্তমানে এই শর্ত কে মানতে চাইছেন না সে দেশের নতুন উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাবাজোভিচক। এখন বর্তমানে সেই দেশের যা অবস্থা পাকিস্তান,শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপের মত ভবিষ্যতে সেই অবস্থা করতে চলেছে চীন। এভাবেই একটি ছোট্ট দেশ মন্টিনিগ্রো কে ঋণের জালে ফাঁসিয়ে সর্বস্বান্ত করার চক্রান্ত করেছে চিন। চীনের এই চক্রান্ত কিছুদিন পর হলেও বুঝতে শুরু করেছে সমগ্র বিশ্ব, তাই তারা সতর্ক হয়ে একঘরে করার পথে চিনকে ।