মুকুলের দরবারে হাজির আরো এক বিজেপি নেতা, বাড়ছে জল্পনা

এই বছরের বিধানসভা ভোটের আগে আমরা দেখেছি দলে দলে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা বেসুরো গাইছিলেন। এক এক করে সকলে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। বিধানসভা ভোট মিটতে না মিটতে তারা আবার পুরনো ছন্দে ফিরতে শুরু করেছেন। আমরা এর আগেই দেখেছি মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে একসময় বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূলের ফিরেছেন। রায় বাবু বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসার পরই তাঁর ফোনে আর কোন কোন নেতার ফোন এলো সেই বিষয় নিয়ে এখন জল্পনা চলছে।

তবে এই বিষয়ে এক সূত্রে খবর পাওয়া গেছে তৃণমূল এই বিষয়ে মোটেই তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন। জুলাইয়ের আগে তৃণমূল আর কোনো নেতাকে তাদের মহলে প্রবেশ করতে দেবে না বলে এক সূত্র মারফত খবর পাওয়া গেছে।এরই মাঝে মুকুল রায়ের সাথে দেখা করে জল্পনার শিকার হলেন বাবু মাস্টার। বাম মন্ত্রী গৌতম দেবের হাত ধরেই রাজনৈতিক মহলে পদার্পণ করেন ফিরোজ কামাল গাজি তথা বাবু মাস্টার। উত্তর ২৪ পরগনার একজন দাপুটে নেতা বলেই পরিচিত তিনি।

একসময় তিনি ছিলেন তৃণমূলের কর্মাধ্যক্ষ। নির্বাচনের আগে হঠাৎ তিনিই গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেন। এখন তিনি আবার পুরনো দলে ফিরতে চাইছেন বলেই জল্পনা ওঠে।শোনা যায় বিজেপিতে যোগদানের পর এই নেতাকে মিনাখাঁয় বোমাবাজির মুখেও পড়তে হয়েছিল। এই অভিযোগের তীর ওঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে। সেই সময় শুভেন্দু অধিকারী সহ আরো বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা তাঁকে দেখতে গেলেও বিজেপিতে যোগদানের পর থেকে তিনি গেরুয়া শিবিরের তেমন স্থান করে নিতে পারেননি।মোদী সরকারের দুর্দান্ত স্কিম! এখন মাত্র 55 টাকা করে জমালেই মিলবে 36,000 টাকা, বিস্তারিত জানতে

বিজেপি শিবিরের অনেক নেতাই তাঁকে তেমন ভাবে পছন্দ করতেন না। তাই ভোট মিটতে না মিটতে তিনি আবার পুরনো ছন্দে ফিরতে চাইছেন। শনিবার হঠাৎ এই দাপুটে নেতাকে রায় বাবুর সাথে বৈঠক করতে দেখা গেল। তবে বৈঠকের বিষয়বস্তু কী সেই বিষয়ে এখনো কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরার জন্য যে সমস্ত নেতারা আবেদন জানিয়েছেন তার মধ্যে আর একটা আবেদন বাড়লো। সেই আবেদনটি হল ফিরোজ কামাল গাজির নামে। তবে আগামী দিনে কি হবে সেই দিকেই নজর রাখব আমরা।