আরো এক বড় সাফল্য মোদি সরকারের! এবার বার্ষিক আয়ের দিক থেকে “তাজমহলকে” পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল “স্ট্যাচু অফ ইউনিটি”।

নরেন্দ্র মোদির সরকার দ্বিতীয় ইনিংসে আর একটি বড় সাফল্য পেলো। কার্যত ইতিহাসের বই থেকে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের অবদানকে মুছে দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগে যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন প্যাটেলের অবদানকে সম্মান জানানোর জন্য এক বিশাল মূর্তি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নেওয়া সিদ্ধান্ত পরবর্তীকালে নরেন্দ্র মোদির এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয় তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর।

তবে এই মূর্তি উদঘাটনের পর বিরোধীতা করতে মাঠে নেমে পড়ে বামপন্থী বুদ্ধিজীবীবর্গরা। মূর্তি নির্মাণ করার ফলে দেশের অর্থের অপচয় সহ নদীর জলের সংকট ইত্যাদি নানান বাহানা নিয়ে হাজির হয়েছিল তারা। কিন্তু এই স্মৃতিসৌধটি একটি নতুন মর্যাদা অর্জন করেছে তা অনস্বীকার্য তার সাথে সাথে নতুন রেকর্ড গড়ে দিয়েছে। স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেশের শীর্ষ 10 টি স্মৃতিস্তম্ভ গুলির মধ্যে সর্বাধিক উপার্জনকারী স্মৃতি স্তম্ভে পরিণত হয়েছে আজ। তাজমহল যেখানে এক বছরে মোট 56 কোটি টাকা আয় করেছে, সেখানে স্ট্যাচু অফ ইউনিটি বছরে মোট 63 কোটি টাকা আয় করেছে। আপনারা তো অনেকেই জানেন যে স্ট্যাচু অফ ইউনিটির 31 শে অক্টোবর 1 বছর পূর্তি হলো। সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলের এই স্ট্যাচুটি 182 মিটার (597 ফুট) উঁচু। এবং এটি বিশ্বের সবথেকে দীর্ঘতম মূর্তি হিসাবে খ্যাত। এই মূর্তিটি নির্মাণ করতে মোট খরচ হয়েছিল 2,999 টাকা এবং এই মূর্তি নির্মাণ করেছে লারসেন এন্ড টুব্রো সংস্থা।

এই প্রতিমাটি নর্মদা নদীর তীরে সরোবর বাঁধ থেকে 3.2 কিলোমিটার দূরে সাধু বেট নামে একটি জায়গায় রয়েছে এই মূর্তিটি নির্মাণ করতে তিন হাজারেরও বেশি শ্রমিক দরকার হয়েছিল এবং প্রায় আড়াই শতাধিক প্রকৌশলী কজ করেছিলেন। এই প্রতিমাটি দেখার জন্য এক বছরে মোট 24,44,767 পর্যটক পৌঁছেছে সেখানে এবং যত দিন যাচ্ছে এই মূর্তিটি দেখার জন্য পর্যটকদের সংখ্যা ততই বেড়েই চলেছে। এই স্ট্যাচু অফ ইউনিটির একবছরে মোট উপার্জন হয়েছে  63,39,14,128 টাকা। শুধু তাই নয় এখন বলা হচ্ছে এই জায়গায় আসার জন্য পর্যটকদের সংখ্যা অত্যন্ত উৎসাহজনক।

Related Articles

Close