রিয়ার গ্রেফতারের পর মুখ খুললেন সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখন্ডে…

সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে অভিনেতার পরিবারের সঙ্গে গলা মিলিয়ে ন্যায় বিচার চেয়ে এসেছেন সুশান্তের প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতা লোখান্ডে। প্রতি মুহূর্তে অঙ্কিতা ও সুশান্তের দিদি শ্বেতা, এক্ষেত্রে একে অপরকে সমর্থন করেছেন। এমনকি রিয়া অঙ্কিতার বিরুদ্ধে সুশান্তের ফ্ল্যাট দখল করে থাকার আরোপ লাগানোর পরও শ্বেতা, অঙ্কিতার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অভিযোগ খণ্ডন করেছেন। এমনকি সুশান্তের বাবাও ছেলের বান্ধবী হিসাবে শুধু অঙ্কিতার কথাই বারবার বলেছেন। তবে যেখন টা আমরা জানি গত মঙ্গলবার দিন মাদককাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকবার অপরাধে সুশান্ত মামলার মূল অভিযুক্তকে রিয়া চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো।

 

এই দিন তৃতীয়বারের জন্য NCB এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছিলেন রিয়া। আর তারপর বিকাল 4 টে নাগাদ রিয়ার গ্রেফতারির খবরে সিলমোহর দেয় এনসিবি। তাছাড়া সুশান্ত মামলার সঙ্গে জড়িত মাদককাণ্ডে শৌভিক চক্রবর্তী, স্যামুয়েল মিরান্ডার, কেশব সহ 9 জনকে আগেই গ্রেফতার করেছিল এনসিবি। আর মঙ্গলবার দিন নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো গ্রেফতার করল রিয়াকে। আর রিয়ার গ্রেফতারির খবর সামনে আসর পরেই সুশান্তের পরিবারের তরফে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা গিয়েছিল সুশান্তের আমেরিকানি বাসী দিদি শ্বেতা সিং কীর্তিকে।

যেখানে তিনি এনসিবির এই গ্রেফতারির পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে টুইট করেছিলেন সুশান্তের দিদি শ্বেতা। এই টুইটে তিনি লেখেন, ‘ভগবান আমাদের সঙ্গে রয়েছেন’। তার সঙ্গে জোড় হাতের ইমোজি যোগ করেন শ্বেতা। বেবা সুশান্তের প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতা লোখন্ডে বিষয়ে ডুয়েট করতে দেখা গেল যেখানে রিয়ার গ্রেপ্তারি পরও করে অঙ্কিতা জানান “ভাগ্যক্রমে কিছু ঘটে না, আপনি আপনার কর্মের দ্বারা নিজের ভাগ্য তৈরি করেন, এটাই কর্মা।” প্রসঙ্গত যেমনটা আমরা জানি এই মুহূর্তে সুশান্তের মৃত্যু মামলায় তদন্ত করছে সিবিআই, অন্যদিকে সুশান্তের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্ত করছে ইডি।

তাই সুশান্তের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত তিনটি মামলার তদন্ত করছে তিন পৃথক কেন্দ্রীয় সংস্থা। উল্লেখ্য, সুশান্তের সঙ্গে অঙ্কিতার সম্পর্ক ছিল টানা ছয় বছর। আর একবার এক সাক্ষাৎকারে, সুশান্ত তাঁর মনোবিদকে জানিয়েছিলেন, অঙ্কিতা কেবল তাঁর প্রেমিকাই ছিলেন না বরং, অঙ্কিতা তাঁকে মায়ের মত আগলেও রাখতেন। এমনকি, বিচ্ছেদের পর সুশান্ত জানিয়েছিলেন অঙ্কিতার সঙ্গে বিচ্ছেদ ছিল তাঁর জীবনের সব থেকে বড় ভুল।অন্যদিকে, রিয়ার গ্রেফতারির পর তার আইনজীবী সতীশ মানেসিন্ধে বলেন, ‘তিনটি কেন্দ্রীয় সংস্থা হাত ধুয়ে একজন মহিলার পিছনে পড়েছে, কারণ সে এমন একজনকে ভালোবাসত যে মাদকাসক্ত ছিল এবং মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিল বেশ কয়েক বছর ধরে এবং মুম্বইয়ের পাঁচজন নামী মনোচিকিত্সক তাঁর চিকিত্সা করছিল।