তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিভাইরাল মাস্ক, করোনা সংস্পর্শে আসা মাত্রই বদলে যাবে মাস্কের রং, সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে যাবে ভাইরাস…

মরণ ভাইরাসকে আটকাতে বিশ্বের সমস্ত দেশগুলি তাদের যথাসম্ভব পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। কিন্তু সমস্ত রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পরেও দেশগুলি এই ভাইরাসকে আটকাতে ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। দিনের-পর-দিন এর প্রভাব বেড়েই যাচ্ছে। এমনকি সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স থেকে শুরু করে লকডাউন পর্যন্ত কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেও আটকানো যাচ্ছে না এই মরণ ভাইরাস কে। এবার থেকে এই ভাইরাসকে আটকানোর জন্য নতুন চিন্তাভাবনা করছেন বিজ্ঞানীরা। তারা এক উন্নত মানের মাস্ক তৈরি করার কাজে মন দিয়েছেন। করোনা ভাইরাসকে ঠেকাতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে প্রতিটি দেশে।

এবার সেই মাস্কের উপরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই মাস্কের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকবে। এই বৈশিষ্ট্য হলো করোনা ভাইরাস এর সংস্পর্শে এলেই মাস্কের রং নিজে নিজেই বদলে যাবে। মাত্র তাই নয় এই মাস্ক ব্যবহার করলে করোনা ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার আগেই মরে যাবে। করোনা ভাইরাস কে ঠেকাতে মাস্ক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে তা অনেকদিন আগেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যেহেতু করোনা ভাইরাস ড্রপলেট এর মাধ্যমে এক মানব দেহ থেকে অন্য মানবদেহে প্রবেশ করে তাই মাস্ক অনেকটাই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে করোনা ভাইরাস আটকাতে।

তবে অনেক সময় মাস্কের থেকেই সংক্রমণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এবার বিজ্ঞানীরা অ্যান্টি-ভাইরাস মাস্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।কেনচুকি ইউনিভার্সিটির দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এর নেতৃত্বে একটি বিজ্ঞানীদের দল COVID-19 ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করার জন্য লেগে পড়েছেন। এই বিজ্ঞানী দল জানিয়েছেন এই ধরনের অ্যান্টিভাইরাস মাস্ক তৈরি করতে কমপক্ষে 6 মাস টাইম লাগবে। এই মাস্ক তৈরি করতে গেলে মাক্সের ওপরে প্রোটিয়লিটিক এনজাইমের একটি স্তর লাগানো হবে। এই এনজাইমটি করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের সঙ্গে মিশে COVID-19 কে নিষ্ক্রিয় করে দেবে। আর এক্ষেত্রে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে না কারণ এক্ষেত্রে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার পরই রং বদলে যাবে মাস্কের।

Related Articles

Close