অ্যাকশন শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের! উৎপাত করা তো দূর, হাতে পাথর তুলতেও ভয় পাবে কাশ্মীরের পাথরবাজরা।

নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীরের ওপর বিশেষ ধ্যান দিয়েছিলেন যার ফলস্বরূপ জম্মু-কাশ্মীরের স্থিতি ধীরে ধীরে শুধরাতে শুধু করেছিল। আর এখন এটা বললে কম হবে না যে জম্মু-কাশ্মীরের স্থিতি খুব দ্রুত গতিতে শোধরাতে শুরু হয়েছে আবার বিশেষ করে অমিত শাহ যখন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পদে বসছেন তখন থেকে কাশ্মীরের উন্মাদী কট্টরপন্থীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ তীব্র হয়েছে। কাশ্মীর সমস্যা যেন ভারতের জন্য একটা ক্যান্সার রোগের মত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আর আতঙ্কবাদ যেন পাকিস্তান থেকে কাশ্মীরে আর কাশ্মীর থেকে পুরো দেশে লাগাতার ছড়িয়ে পড়েছে।এমন এক পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের এই রোগের প্রতিকার করা অতি আবশ্যক ছিল। আর দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করার পর মোদি সরকার এই বিষয়ে নজরদারি রেখেছিলেন। প্রথম দফাতেও কাশ্মীরের উপর মোদী সরকার বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল যার প্রভাব দেখা যেতে শুরু হয়েছে বর্তমানে।

এক হিন্দি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে কাশ্মীরে পাথরবাজির ঘটনা দিন দিন কমছে এবং আতংবাদিদের উৎপাতে ক্রমশ লাগাম লেগেছে। পাথরবাজি ঘটনার সাথে জড়িত গ্রেফতারির সংখ্যা আজ 10500 থেকে কমে 100 তে চলে এসেছে। তবে এসবের মধ্যে রাজনাথ সিং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন বহু পাথর বাজ কেন্দ্রীয় মুসলিম যুবক আখ্যা দিয়ে জেল থেকে ছেলে দেওয়া হয়েছিল।2016 সালে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানতে পারা গিয়েছিল প্রায় 10 হাজার পাথর বাজদের গ্রেফতার করা হয়েছিল যাদের মধ্যে এখন 267 জন জেলে রয়েছে। আর এই জন্য সরকারের এই পদক্ষেপকে অনেক জন লোক দেখানি বলে নিন্দা ও করেছিলেন।

তবে দ্বিতীয় বার মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর অমিত শাহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পদে বসে লাগাতার কট্টরপন্থী দের শায়েস্তা করছেন। বহু বিচ্ছিন্ন বাদী নেতাকে এখন গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে আবার অনেক বিচ্ছিন্নবাদি নেতাদের জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে অমিত শাহ কাশ্মিরী ঘাটিতে অতিরিক্ত 10 হাজার সৈন্য নামানোর নির্দেশ দিয়েছেন অর্থাৎ এখান থেকে আশঙ্কা করা যাচ্ছে কাশ্মীরে উপর বড় ঘোষণা করতে পারেন অমিত শাহ। যা দমন করার জন্যই কাশ্মীরের ঘাটিতে অতিরিক্ত 10 হাজার সৈনিককে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এখন আশঙ্কা করা যাচ্ছে 15 আগস্টের পর মোদীর সরকার এই বড় ঘোষণা করতে পারেন।