CAA এর বিরোধী দলগুলিকে এবার মোক্ষম জবাব দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ

দেশজুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এর প্রতিবাদের জেরে একপক্ষে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল বিজেপি। তবে শুধু দেশের মধ্যেই নয় দেশের বাইরেও কূটনৈতিক মহলে বেশ চাপের মুখে পড়তে হচ্ছিল এই বিষয়ে ভারতকে। আর এরকম এক পরিস্থিতিতে উঠে এল বিজেপির হাতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নানাকানা সাহিবে হামলার ঘটনা। আর বিজেপি এবার এই হামলার ঘটনাকে হাতিয়ার বানিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা উঠে পড়ে লেগেছে প্রতিবেশী দেশগুলো কীভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করছে।

তাই এখন প্রতিবেশী দেশগুলির সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কতটা প্রয়োজনীয় আছে। এর প্রচার এর মুখ্য ভূমিকায় উঠে এলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের নাম।তিনি দিল্লিতে এক বিজেপি কর্মীদের সমাবেশে হাজির ছিলেন সেখানে তিনি রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো নেতাদের নাম নিয়ে কটাক্ষ করতে বাদ গেলেন না, মঞ্চেই তুলে ধরলেন এনাদের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে যে বিরোধিতার কথা।

এরই সাথে তিনি বললেন যারা এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করছেন তাদের জন্য এটা একটা উপযুক্ত জবাব। অমিত শাহ অভিযোগ করে বলেন কংগ্রেস নেতারা দেশে হিংসার প্ররোচনা দিচ্ছেন। এরই সাথে তিনি অভিযোগ করে বলেন দেশের মধ্যে বিরোধী দলগুলি সংখ্যালঘুদের ভয় দেখাচ্ছে ভুল বোঝাচ্ছে বোঝানো হচ্ছে ওদের নাগরিকত্ব চলে যাবে বলে‌। এই বিষয়ে আমি বলতে চাই আপনাদের কারো নাগরিকত্ব যাবে না।

এরই সাথে তিনি নানকানা সাহিবের হামলার ঘটনা তুলে ধরে বলেন একবার ভাবুন ওখানে কিভাবে হামলা করা হচ্ছে, আর তারই সাথে এটাও ভাবুন আমাদের শিখ ভাইয়েরা ভারত ছাড়া এখন কোথায় যাবেন।তবে যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে বলে রাখি গত শুক্রবার দিন সন্ধ্যেবেলায় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে নানকানা সাহিবে শিখদের ওপর বর্বর ভাবে আক্রমণ করা হয়। এই দিন গুরুদ্বার কে লক্ষ্য করে এলো পাথারি ইটা বৃষ্টি করা হয়, সাথে সাথে তোলা হয় শিখ বিরোধী স্লোগানও। শুধু তাই নয় সেদিন এই গুরুদ্বারের ভিতরে ছিল অসংখ্য ভারতীয় তীর্থযাত্রীরাও।

এইভাবে পাকিস্তানে শিখদের ওপর নির্মম অত্যাচারের ঘটনার প্রতিবাদের জেরে সরব হয়েছে গোটা দেশ, আর এবার এই হামলাকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করল গেরুয়া শিবির। এই হামলার ঘটনাকে সামনে রেখে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জানিয়ে দিলেন যারা এই বিলকে অসাংবিধানিক বলে পথে নেমে বিরোধিতা করছেন, যারা বলছেন ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া যায় না তাদের উদ্দেশ্যে আমার একটাই কথা তাহলে কী প্রতিবেশী দেশগুলির এইভাবে সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব না দিলে তারা এই ভাবেই অত্যাচারিত হবে।

Related Articles

Close