অমিত শাহ নিতে চলেছেন ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত!এবার থেকে দেশে পাকিস্তানের পতাকা উড়ালেই দেওয়া হবে ফাঁসি।

দ্বিতীয়বারের জন্য নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ এর দায়ভার পেয়েছেন অমিত শাহ। আর অমিত শাহ যবে থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে বসেছেন দেশের শত্রুদের রাতের ঘুম উড়ে গেছে। শুধু তাই নয় দেশের বাইরেও শত্রুদের সাথে সাথে দেশের ভেতরের শত্রুদের মধ্যেও ভয়ের ছবি স্পষ্ট দেখা দিতে শুরু করেছে। আর অন্যদিকে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পদে বসার পর থেকে কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের সুর পাল্টাতে শুরু করেছে।

আর এরই মধ্যে আরও একটি বড় খবর বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে যেখানে দেশের মধ্যে বসবাসকারী পাকিস্তান প্রেমীদের শায়েস্তা করার জন্য নতুন আইন তৈরি করতে চলেছেন অমিত শাহ। তবে কিসের জন্য করা হতে চলেছে এই আইন? সূত্র অনুসারে জানতে পারা গেছে দেশের মধ্যে থেকে যেসব পাক প্রেমীরা দেশের অপমান করে পাকিস্তানী পতাকা উড়ানোর সাহস দেখায় তাদেরকে এবার সরাসরি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়ার জন্য নতুন আইন তৈরি করতে চলেছেন মোদির 2.0 এর সরকার বলে জানতে পারা গেছে।

2019 এ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভোট পেয়ে বিপুল পরিমাণে জয়লাভ করেছে বিজেপি সরকার।আর এই বিপুল পরিমাণে ভোটে জয়লাভ করে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন নরেন্দ্র মোদি সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে বসেছেন অমিত শাহ। আর মোদী টু পয়েন্ট জিরো সরকার গঠন হওয়ার পর থেকে অ্যাকশন মুডে চলে এসেছে নরেন্দ্র মোদি,যার দরুন মোদীর 2.0 এর সরকার কয়েকটি নতুন আইন তৈরি করতে চলেছে এবং কয়েকটি পুরনো আইনে ফের বদল ও করতে চলেছেন। আর এই বিষয় নিয়ে আপাতত চর্চাও চালু হয়ে গেছে।

যার মধ্যে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাশ্মীর থেকে ধারা 370 ও 35A বিলুপ্ত করার কথাবার্তাও চলছে।
তবে শুধু তাই নয় এবার যে কথাটি উঠে আসছে যেখানে বলা হচ্ছে দেশের মধ্যে থেকে অন্য দেশের পতাকা তোলা নিয়ে কঠোরতম আইন তৈরি করার।সূত্র থেকে জানতে পারা গেছে ভারত সরকার এমন আইন তৈরি করবে যার অনুযায়ী ভারতের মধ্যে যদি কোথাও পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানো হয় তাহলে উদ্বোধন কারী কে দেওয়া হবে ফাঁসি। অনেক বার লক্ষ করা গেছে দেশের মধ্যে থেকে কিছু পাক প্রেমী মানুষেরা পশ্চিমবঙ্গ, কাশ্মীর সহ বিভিন্ন রাজ্যে পাকিস্তানের পতাকা উড়ানোর কাজ করে থাকে।

তবে দেশের সংবিধানে এই দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কোন সঠিক আইন না থাকায় এদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই এবার যে দাবিটি উঠে আসছে যেখানে বলা হচ্ছে এই পাকিস্তান প্রেমিকদের সোজাসুজি ফাঁসি দেওয়ার জন্য কঠিন ও তম আইন তৈরি করা করা হতে চলেছে দেশে।