ভারত বিরোধী মন্তব্য করায় কট্টরপন্থী নেত্রী মেহবুবাকে গ্রেফতার করে ঢুকিয়ে দেওয়া হল জেলে…

যতদিন জম্মু-কাশ্মীরের ধারা 370 লাগু ছিল ততদিন সেখানে কট্টরপন্থীদের উপদ্রব ছিল চরমে। আর গতকাল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে ভেঙ্গে দুটি কেন্দ্র শাসিত রাজ্যে পরিণত করা হয়েছে আর সেই সাথে বিলুপ্ত করা হয়েছে সেখানে লাগু 370 ধারা কে। একই সাথে এই ধারা টিকে বিলুপ্ত করার পর এবার থেকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলির মত কাশ্মীরেও এখন ভারতের সংবিধান লাগু করা যাবে। যেমন কি আপনারা জানেন আগে আমাদের সেনাকে কাশ্মীরের কট্টরপন্থীদের অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করতে হতো তবে এখন থেকে সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে এই ধারা উঠে যাওয়ায় সরকার সেনা রুদ্ররূপে চলে এসেছে।

এখন পাওয়া এক প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা কাছে কাশ্মীরের কট্টরপন্থী নেত্রী মেহেবুবা মুফতিকে
গ্রেফতার করে নেওয়া হয়েছে। সূত্র থেকে জানতে পারা গেছে ভারত বিরোধী ভাষণ দেওয়ার জন্য এই কুখ্যাত কট্টরপন্থী নেত্রীকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।গত রবিবার দিন মেহবুবা কে গৃহবন্দি রাখা হয়েছিল এবার তাকে সরাসরি গ্রেফতার করে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এবার থেকে জম্বু কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে অর্থাৎ অমিত শাহের শাসন চলবে এবার থেকে সেখানে।

এখন কাশ্মীরে আর ধারা 370 নেই তাই কোনো রকম অশান্তি মেনে নেওয়ার মুডে নেই সেনা ও সরকার।কাশ্মীরের শান্তি ভঙ্গ করার মামলায় কেন্দ্র সরকার এই কট্টরপন্থী নেত্রী মেহেবুবাকে হরি নিবাস জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে। গতকাল 370 ধারা বিলুপ্ত হবার পর মেহবুবা মুফতিকে দেখা যায় দেশের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে। এমন কি এদিন তিনি পাকিস্তানের গুনগান গেয়ে ভারতকে গালিগালাজ করছিলেন। তাই কাশ্মীরের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সরকার মেহেবুবাকে জেলে বন্দি করে দিয়েছে। মেহেবুবা ভারতীয়দের অনুপ্রবেশকারী বলে গালি দিয়েছিল। কট্টরপন্থীদের উস্কানি দিয়ে দেশে অশান্তি ফেলানোর চেষ্টা করেছিল মেহেবুবা মুফতি। অন্যদিকে পাকিস্তান ধারা 370 এর উপর বিবৃতি দিতে শুরু করেছে। ভারত জম্মু-কাশ্মীর থেকে 370 উঠিয়ে দেওয়ায় পাকিস্তান মরাকান্না কাঁদছে।

তবে যেমন কি আপনারা এখান থেকে বুঝতে পারছেন এই যদি আগের ভারত হত তাহলে এতক্ষণ পাকিস্তান পরমাণু হামলা করার হুমকি দিয়ে দিতো। তবে এখন ভারতের পরিস্থিতি আর আগের মত নয় এখন পাকিস্তানের সমস্ত হুমকির মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখে ভারত। যার ফলস্বরূপ আমরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক একবার এয়ার স্ট্রাইক করার ক্ষমতা দেখেছি ভারতের। যার দরুন পাকিস্তান এখন হুমকির বদলে মরাকান্না কাঁদতে শুরু করেছে।