আক্রোশ মুডে পশ্চিমের সমস্ত দেশ: চীনের উপর হতে পারে কার্যবাহী, আমেরিকার সামুদ্রিক সেনার মুভমেন্ট শুরু..

গোটা বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাস এর ভয়ঙ্কর রূপ দেখছে, আর এই করোনো ভাইরাসের উৎসস্থল যে চীন সে কথা জানতে কারও বাকি নেই। তবে চীন বরাবরই তা অস্বীকার করেছে।তবে যাই হোক চীন যে তার বায়োকেমিক্যাল অস্ত্র প্রয়োগ করে গোটা বিশ্বকে সংকট ফেলে দিয়েছে তা একাধিকবার অভিযোগ চর্চাতে উঠে আসছে। আজ গোটা বিশ্বের ব্যবসা- বাণিজ্য সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে এই করোনা ভাইরাসের প্রকোপে। আর এই ভাইরাসের দরুন গোটা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে 7 লাখেরও বেশি আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গোটা বিশ্ব জুড়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা পেরিয়ে গেছে প্রায় 34 হাজার।

এমন কী ভারতের মতো বিশাল জনসংখ্যার দেশও আজ পুরোপুরিভাবে লকডাউন পালন করছে এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে। আর অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ভাইরাসের জেরে ইউরোপের দেশগুলি ও আমেরিকা। তবে এই করোনার কারণে চীনে কোন লকডাউন নেই শেয়ার বাজারে কোন প্রভাব নেই। এমনকি চীনের বেইজিং সাংহাই তে সমস্ত কিছুই বেশ ভালো ভাবেই চলছে।এখন শুধুমাত্র চীনের উহান শহরটি বন্ধ রয়েছে যা 8 তারিখের পর খোলার ঘোষণা করে দিয়েছে চীনের সরকার। অন্যদিকে চীনের মধ্যে নেই কোন বিদেশী মিডিয়া আর তার দরুন অভিযোগ করা হচ্ছে একাধিক বার চীন তার দোষ ঢাকার জন্য মিডিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তাছাড়া চীন দেশের মিডিয়া এমনিতেই সম্পূর্ণভাবে সেখানকার সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। এমন কী বিশ্বজুড়ে বড় বড় মেডিয়া হাউসকে চীন প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার।

তবে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ এতটাই গম্ভীর যে তার দরুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সেখানকার প্রিন্স ও বহু মন্ত্রীরা এই করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন।তাছাড়া এখন যেভাবে আমেরিকাতে করোনা ভাইরাস দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে তা নিয়ন্ত্রণ করা আগামী কিছুদিনের মধ্যেই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে তাদের কাছে। অন্যদিকে ইতালি ও স্পেনে এই ভাইরাসের দরুন মৃত্যুসংখ্যা এতটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে যে সেখানে শুধু কান্নার শব্দ ছাড়া কিছুই শোনা যাচ্ছে না। যার দরুনই পশ্চিমের সমস্ত দেশগুলির চীনের ওপর আক্রোশ বেড়েই চলেছে।

আর এখন প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেন এবং জাতিসংঘের সুরক্ষা কাউন্সিলের চীনের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই তিনটি দেশ ভিটো শক্তি সম্পন্ন এই দেশগুলি চীনের বিরুদ্ধে দুই ধরনেরই পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। যাদের মধ্যে একটি সামরিক ও দ্বিতীয় টি আর্থিক দিক দিয়ে।আর এখন প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী যা জানতে পারা যাচ্ছে যে একবারে করোনা ভাইরাস এর সংকট শেষ হলে এই দেশগুলি চীনকে আর্থিক ও সামরিক দুই ভাবে বিপর্যস্ত করার পথে হাঁটবে। শুধু তাই নয় চীনের উপর সমস্ত নিষেধাজ্ঞা লাগানো থেকে শুরু করে চীনকে সমুদ্র পথে ঘিরে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে একাধিক মহলের দাবি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে ইতিমধ্যেই অনেকেই চীনকে জাতিসংঘ থেকে বের দেওয়ার জন্য দাবী তুলতে শুরু করে দিয়েছে।এরই পাশাপাশি খবর আসছে আমেরিকাতে সামুদ্রিক সেনা সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং মুভমেন্ট শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলে যে খবরটি তোলপাড় করতে শুরু করেছে সেটি হল বড় বড় আমেরিকান জাহাজ নাকি চীনের দিকে মুভমেন্ট শুরু করছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।এর পাশাপাশি এটাও ধারণা করা হচ্ছে যে করোনা মহামারী একবার শেষ হলে পশ্চিমের দেশগুলি একত্রে মিলে চীনের ওপর পারমাণবিক আক্রমণ পর্যন্ত করতে পারে।

Related Articles

Close