দিনদিন সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে রহস্য বেড়েই চলেছে এবার সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন অ্যাম্বুলেন্স চালক…

সুশান্ত সিং এর মৃত্যু এখনো পর্যন্ত মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু অনেকেই বলছেন তিনি আত্মহত্যা করেন নি তাকে খুন করা হয়েছে। তার কোনো শত্রু তাকে খুন করেছে বলে অনেকে মতামত দিয়েছেন। এবার তার মৃত্যুকে ঘিরে মুখ খুললেন অ্যাম্বুলেন্স চালক অক্ষয় ভন্ডগর। উনি সেই এম্বুলেন্স চালক যিনি সুশান্ত সিং এর মৃতদেহ তার ফ্ল্যাট থেকে কুপার হাসপাতালে নিয়ে যান। এ বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, এর আগে অনেক আত্মহত্যার মৃতদেহ তিনি নিয়ে গেছেন হাসপাতালে। তাই এই বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা অনেক।

 

আর এই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানিয়েছেন যে, এই মৃত্যু আত্মহত্যা করে হয়নি তাকে খুন করা হয়েছে। যদিও তার এমন মন্তব্যের পর তাকে নানান প্রশ্ন করা হয় এ বিষয়ে। প্রশ্ন করায় তিনি এত কনফিডেন্স এর সঙ্গে কী করে বলছেন যে সুশান্ত সিং রাজপুতকে খুন করা হয়েছে? যদিও তিনি কারণ ও দেখিয়েছেন যে এটা আত্মহত্যা নয় খুন। তিনি জানিয়েছেন, সুশান্তের দেহ পুরোপুরি হলুদ হয়ে গিয়েছিল। আর আত্মহত্যার পর কোন মানুষের শরীর হলুদ হয়ে যায় না।

এ ছাড়াও অক্ষয় ভন্ডগর জানিয়েছেন যে,” মানুষ আত্মরক্ষার জন্য যখন হাত-পা চালান, বা লাথি মারার চেষ্টা করেন তখন যেভাবে তার পা মোড়া থাকে সুশান্তের পা টিও ঠিক সেইভাবে মোড়া ছিল। যে মানুষ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে তার পা ওইভাবে কেন মোড়া থাকবে? এটা কীভাবে সম্ভব? ” এছাড়াও তিনি আরও জানিয়েছেন যে,” গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলে তার সারা শরীরে রক্ত জমাট এর দাগ দেখা যাবে। কিন্তু সুশান্তের ক্ষেত্রে তেমন কোন দাগ ছিল না। শুধুমাত্র পায়ে ক্ষত ছিল। সেই ক্ষতগুলি দেখে মনে হচ্ছিল কেউ যেন পায়ে জোরে আঘাত করার চেষ্টা করেছিল সুশান্ত কে।”

অ্যাম্বুলেন্স চালক অক্ষয় ভন্ডগর আরো বলেন যে,” সুশান্তের গলায় ‘0’ এর মত দাগ ছিল। অর্থাৎ পুরো গলা জুড়ে দাগ ছিল। একজন মানুষ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলে পুরো গলা জুড়ে দাগ কখনোই দেখা যাবে না। কেও যদি তাকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারার চেষ্টা করে তাহলেই একমাত্র এই ধরনের দাগ দেখা যাবে। তিনি স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন যে, প্রথমে সুশান্তকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা হয় এরপর সেটিকে আত্মহত্যা দেখানোর জন্য পরে তার দেহ গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলে মুখ দিয়ে গেঁজলা বের হয়। কিন্তু সুশান্তের মুখ দিয়ে তা বের হয়নি।