অলোক বর্মার পাল্টা অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর। বললেন আমার এই অবস্থার জন্য…

সিবিআই ডাইরেক্টর পদ থেকে বহিস্কৃত করা হল অলোক বর্মাকে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বাধীন নিয়োগ কমিটি। ওই নির্দেশিকায় পর কমিটি কে চ্যালেঞ্জ করে অলক বর্মা সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ করেছে। আগামী 26 অক্টোবর মামলার শুনানি। নিজের দাবিতে তিনি একেবারে আঘাত করেছেন মোর্চাকে, বলতে চেয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই তাকে পদ থেকে বহিস্কৃত করা হয়েছে। বুধবার তিনি জানান রাতারাতি তাকে এই পথ থেকে সরানো হয়েছে। সিবিআইয়ের তদন্তের স্বাধীনতার মধ্যে হস্তক্ষেপ করছে যা বেআইনি, কেন্দ্র এবং সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন।কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে জড়িত কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ওপর তদন্ত পছন্দমত যাতে সিবিআই না করতে পারে তাই এই পদক্ষেপ।
আলোক বর্মা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সরকারের কর্মী বর্গের দপ্তর থেকে স্বাধীনতা দেওয়া হোক সি বি আই-কে।

অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ওপর তদন্ত করার জন্য সরকারের কর্মী দপ্তর থেকে নির্দেশিকা মিলে না কিন্তু সিবিআই এর হাতে তা থাকলে তা অনেকটা সহজ হবে এটিও বলেন অলোক বর্মা। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই কে কটাক্ষ করেছে ইউপিএ জমানায় সি বি আই-কে খাঁচাবন্দি তোতাপাখি বলে উপেক্ষা করেছেন। এ বিষয়ে অলোকের দাবী কর্মী দফতর থেকে সিবিআইকে আলাদা করে আনতে হবে। মধ্যরাতের আলোক বর্মার বহিষ্করণ সংস্থার বিশ্বাসঘাতকতা কে প্রশ্নের মুখে এনেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি সিবিআইয়ের ‌যুগ্ম ডাইরেক্টর এম নাগেশ্বর রাও কে অন্তর্বর্তী সিবিআই ডায়রেক্টর পদের ছাড়পত্র দিয়েছে।

সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, বার্মা এবং আস্থানা দুজনে একে-অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার জন্য তদন্তের স্বার্থে ভিজিলান্স কমিশন তাদের দু’জনকেই বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্রের খবর রাত 1টায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরী নিয়োগ সংক্রান্ত অফিসারদের সাথে বৈঠকে বসে অজিত ডোভাল। প্রায় রাত 2 সময় সিবিআই দফতরে ঢোকেন নতুন অন্তর্বর্তী ডাইরেক্টর এম নাগেশ্বর রাও। সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে আলোক বর্মা এবং রাকেশ আস্থানা দুজনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। বার্মা এবং অস্থানা দু’জনের কাছ থেকে সরকারি গাড়ি কেড়ে নেওয়া হয়, তাদের ঘরে তল্লাশি করার পর ঘর সিল করে দেওয়া হয়, এবং তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে তারা সিবিআই দফতরে ঢুকতে পারবেন না।বিরোধীদের মতে, সহকারী নিযুক্ত করা নতুন অন্তর্বর্তী ডাইরেক্টর এসেই রাকেশ দাস থানার ওপর তদন্তকারী প্রধান অফিসার কে আন্দামানে বদলি করে দিয়েছে। ছুটি দেওয়ার নাম করে এবং মিথ্যা অভিযোগে অলক বর্মা কে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো কেন্দ্রের স্বার্থে। আস্তানা কে বাঁচাতে সরকারের এই ও পদক্ষেপ।