হায়দরাবাদ গণধর্ষন খুন কাণ্ডে এনকাউন্টার! পুলিসের গুলিতে খতম হল ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত চার জনই …

হায়দ্রাবাদের পশুচিকিত্সক তরুণীকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় জেরে ক্ষুব্ধ গোটা হয়েছে গোটা দেশ। সকল দেশবাসী একজোট হয়ে অবিলম্বে এই ধর্ষণকারী দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক বলে দাবি তুলছিল। অন্যদিকে এই ঘটনার নির্যাতিতার মা চাইছিলেন এইসব দোষীদের ফাঁসি নয় বরং একইভাবে পুড়িয়ে মারা হোক যাতে তাদের চিৎকার সকল দেশবাসী শুনতে পায়। শুধু তাই নয় এই ঘটনায় বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল সকল বলিউড সেলিব্রিটিরাও, সালমান থেকে শুরু করে অক্ষয় পর্যন্ত এই ঘটনায় তীব্র বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছিল।

গত কয়েকদিন ধরেই তেলেঙ্গানা ধর্ষণ- কাণ্ডের জেরে উত্তাল রয়েছে গোটা দেশ। অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছিল সব মহল থেকেই। এমনকি তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান জয়া বচ্চন সহ একাধিক সাংসদ ও। তবে এখন এই তেলেঙ্গানার মহিলা পশুচিকিৎসকের ধর্ষণের ঘটনায় নতুন মোড় এলো। ঘটনা সূত্রে জানতে পারা যাচ্ছে শুক্রবার দিন ভোর রাতে পুলিশের এনকাউনটার খতম হয়েছে এই চার জন ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তরা। 44 নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। জানা যায় ওই পথেই পালানোর চেষ্টা করছিল এই অভিযুক্তরা।শাদনগরের যে রাস্তায় ওই চিকিৎসকের অগ্নিদগ্ধ দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানেই ঘটেছে এই ঘটনা।তেলেঙ্গানা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত চারজনেই পুলিশের গুলিতে মারা গেছে।প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী জানতে পারা যায় ঘটনাটি পুনঃ নির্মাণ করার জন্য তাদের ওই জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কিন্তু তখনই তারা পালানোর চেষ্টা করে ফলে পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। গত বুধবার দিন তেলেঙ্গানায় পশুচিকিৎসকের ধর্ষণ করে আগুন জ্বালিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় শিউরে উঠেছিল গোটা দেশ।

এই 26 বছর বয়সী তরুণীর দেহঅংশ উদ্ধার করার পর 24 ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সেখানকার পুলিশ।মহম্মদ আরিফ (26), জল্লু শিবা (20), জল্লু নবীন (20) এবং চিন্তকুন্ত চেন্নাকেশভুলু (20) নামে এই চার জনই ছিল ট্রাকের কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির 302 ধারায় খুন, 375 ধারায় ধর্ষণ ও 362 ধারায় অপহরণের অভিযোগ আনা হয়।এই ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে গত সোমবার দিন দিল্লি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করে একাধিক মানুষ। সকলে কালো ব্যান্ড পড়ে এবং উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখান।