কোভিড পরিস্থিতিতে কাজ নাই তাই বাধ্য হয়ে পেটের দায়ে সব্জি বেচছেন অক্ষয় কুমারের সহ-অভিনেতা…

নাম তার কার্তিকা সাহু, এমনকি অক্ষয় কুমারের সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি যেহেতু এই মুহূর্তে দেশজুড়ে চলছে করোনা সেই কারণে আটকে রয়েছে ছবির মুক্তি। হ্যাঁ আপনারা ঠিকই ধরেছেন এখানে কথা বলা হচ্ছে ছবি “সুর্যবংশী-র”। আর দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের দাপটে এখন এতটাই করুণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে আর বিভিন্ন কলাকুশলীদের পেট চালানোর জন্য কাজে নামতে বাধ্য হতে হয়েছে। আর ঠিক একই অবস্থা ঘটেছে এই কার্তিকা সাহু’র সাথেও। পেটের দায়ে শেষমেষ শাক সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

যেমনটা আমরা জানি গত তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে সমস্ত ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ রয়েছে সমস্ত রকম শুটিং তাই কীভাবে চলবে, তাই এই মুহূর্তে বেঁচে থাকাই দায়। আর আজকে আমরা যার কথা বলছি তিনি হলেন কার্তিকা সাহু যিনি উড়িষ্যা থেকে অভিনয়ের কাজে মুম্বাই এসেছেন এখন ইন্ডাস্ট্রি কাজ বন্ধ থাকায় পেট চালানোর দায়ে সব্জি বিক্রির কাজকে বেছে নিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে যখন সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে তার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়,তখন তিনি জানান আমি 17 বছর বয়সে মুম্বাই এসেছিলাম অভিনয় জগতে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করতে।

আর তখন থেকেই এখানে এসে অনেক সেলিব্রিটির বডিগার্ড হিসাবেও কাজ করেছি আমি, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে অমিতাভ বচ্চন,শচীন টেন্ডুলকারের নামও। পাশাপাশি তিনি আরো জানান 2018 সালের পর তিনি বেশ কয়েকটি অ্যাকশন সিকোয়েন্স কাজের সুযোগ পান আর এবার আসন্ন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সূর্যবংশী ছবিতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গেও তিনি কাজ করেছেন। জয়পুরে ছবিটির শুটিংয়ের পর তিনি ফিরে যান উড়িষ্যার। আর তারপরই শুরু হয়ে যায় দেশজুড়ে লকডাউন।

আর এই লকডাউন চলাকালীন চার মাস ধরে জমানো টাকা দিয়ে চালিয়ে যান তিনি, তবে বেশ কিছু টাকা চিকিৎসার জন্যও খরচ হয়ে যায়। তাই হাতে তার আর জমানো টাকা নেই যার ফলে বাধ্য হয়ে এখন তিনি সব্জি বিচছেন। ভুবনেশ্বর গিয়েও কাজের খোঁজ করেছেন, মেলেনি কিছুই। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে অভিনেতা জাভেদ হায়দরকেও সব্জি বিক্রি করতে দেখা গিয়েছে। আমির-রানি অভিনীত ‘গুলাম’-সহ বেশ কিছু ছবিতে কাজও করেছেন তিনি। যদিও পরে তিনি নিজেই জানান, পেটের দায়ে তিনি সব্জি নিয়ে রাস্তায় বসেননি, কোনও কাজই ছোট নয়, এটা লোককে বোঝাতেই তিনি সব্জি বিক্রির অভিনয় করছিলেন।

Related Articles

Back to top button