নতুন খবর

আরও 5 বছর দোভালেই ভরসা মোদীজীর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে পেলেন ক্যাবিনেট পদ মর্যাদা-ও…

দেশের সুরক্ষা ভারের জন্য আরো একবার অজিত দোভলের উপরই ভরসা রাখলেন মোদী সরকার। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবে আর ৫ বছর তাঁর মেয়াদ বাড়ল। পাশাপাশি, ক্যাবিনেট পদ মর্যাদাও পেতে চলেছেন তিনি। আপনাদের বলে রাখি গত পাঁচ বছরে নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেসব সিদ্ধান্তগুলি নিয়েছেন তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এই 74 বছর বয়সী এই আইপিএস অফিসার।

অজিত দোভাল প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বিদেশ নীতি থেকে শুরু করে কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে সঙ্গী হিসাবে কাজ করেছেন।তাই আরো একবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা করে তার উপরই ভরসা করলেন মোদি সরকার পাশাপাশি তাকে ক্যাবিনেট পদের মর্যাদা দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। 1968 সালে আই পি এস অফিসার হয়ে নিজের কর্মজীবন শুরু করেন অজিত দোভাল। বরাবরই ছিলেন দুঁদে গোয়েন্দা।

সেই কারণে দ্রুত উত্থান গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে। দীর্ঘদিন কাজও করেছেন সেই পদে। পাঞ্জাব, শ্রীনগরে জঙ্গি দমন থেকে শুরু করে মিজো ন্যাশনাল আর্মি মোকাবিলায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে পাকিস্তান থেকে খবর সরবরাহ করেছেন তিনি। প্রথম পুলিশ অফিসার হিসেবে 1988 সালে কীর্তি চক্র পেয়েছিলেন দোভাল। ফলে গোয়েন্দা দপ্তরের এই হীরেকে চিনে নিতেবেশি সময় লাগেনি মোদীর মতো জহুরির।

প্রাক্তন বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্করের ক্ষেত্রেও সেই উদারতা দেখিয়েছেন মোদী। পাঁচ বছর সাফল্যের সঙ্গে বিদেশ সচিবের পদ সামলানোয়, তাঁকে নিজের ক্যাবিনেটে যুক্ত করেন মোদীজী। সুষমা স্বরাজের জায়গা জয়শঙ্করকে করা হয় বিদেশমন্ত্রী। যা ইন্দিরা গান্ধীর পর নজির তৈরি করলেন নরেন্দ্র মোদী।মোদীজি দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল সবার মনে একটাই প্রশ্ন ছিল এবার কে হতে চলেছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। অবশেষে অবসান হলো সমস্ত জল্পনা।আপনাদের বলে রাখি পরিপূর্ণ আমার পর পাল্টা জবাবে বায়ুসেনার বালাকোট হামলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল অজিত দোভাল।

এই বালাকোট হামলাকে হাতিয়ার করে গোটা নির্বাচন লড়লেন মোদী-শাহ। দেশের নিরাপত্তা এবং জাতীয়তাবাদ এজেন্ডায় সুফলও মেলে বিজেপির। তাই এ দিনের সিদ্ধান্ত আসলে যে প্রাক্তন গোয়েন্দা ব্যুরো চিফ অজিত দোভালকে পুরস্কৃত করা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Articles

Back to top button