চীনা কোম্পানিদের বড়সড় ঝাটকা, ফাইভ-জি লঞ্চ এর আগেই বড় সিদ্ধান্ত নিল Airtel, Jio

সারা দেশজুড়ে ৫জি স্প্রেকট্রাম নিলামের প্রক্রিয়া চলছে। চলতি বছরে দেশের একাধিক বড় শহরে এই পরিষেবা শুরু করে দেবে airtel এবং jio। ইতিমধ্যেই ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পরিষেবা পরিকাঠামো তৈরি করার জন্য চিনা কোম্পানিতে সাহায্য বাতিল করেছে এই দুই ভারতীয় টেলিকম সংস্থা। এই দুই কোম্পানি huawei ও ZTE- এর মত কোন চিনা কোম্পানির কাছ থেকে যন্ত্রাংশ কিনবে না। নতুন কাটামো তৈরি করার জন্য পশ্চিমের কোম্পানির থেকে সাহায্য নিতে চলেছে airtel এবং jio।

সম্প্রতি প্রকাশিত একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গেছে, ফাইভ-জি যন্ত্রাংশের জন্য নোকিয়া, samsung এবং ইরিক্সসনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে চলেছে এয়ারটেল এবং জিও। ফিনল্যান্ডের কোম্পানী নোকিয়া, সুইডেনের কোম্পানি ইরিকসন, দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি samsung ভারতে নেটওয়ার্ক প্রসারে সাহায্য করতে চলেছে এয়ারটেল এবং জিওকে।

এছাড়া ভারতের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক বিস্তারে এটি ইউরোপীয় সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছে ভোডাফোন আইডিয়া। যদি লাভ হয় এর মুখ না দেখে ভোডাফোন তাহলে যে সমস্ত সার্কেল থেকে মোট লাভের ১৫ শতাংশের বেশি আসে শুধুমাত্র সেই সব সার্কেলে ফাইভ জি লঞ্চ করবে ভোডাফোন আইডিয়া। শুধুমাত্র দেশের বড় বড় শহরগুলিতে প্রথমে ভোডাফোন আইডিয়া ৫জি পরিষেবা লঞ্চ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই প্রথম কোন ইউরোপীয় সংস্থা আম্বানিদের টেলিকম যন্ত্র সরবরাহ করবে। এর আগে গোটা দেশে ফোরজি নেটওয়ার্ক বিস্তারে স্যামসাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছিল মুম্বাইয়ের সংস্থাটি। অন্যদিকে এয়ারটেল কে প্রথম টেলিকম যন্ত্রাংশ সরবরাহ করতে চলেছে স্যামসাং। প্রাথমিকভাবে ১৫০০০ থেকে ২০ হাজার সাইটের জন্য ৫জি যন্ত্রাংশের অর্ডার দেবে এয়ারটেল। প্রথম ধাপে শুধুমাত্র দেশের বড় বড় শহর গুলিতে নতুন মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি শুরু করবে গুড়গামের এই সংস্থাটি। তবে প্রথম থেকেই জিও কিছুটা এগিয়ে থাকবেই এয়ারটেলের থেকে সেটাই মনে করা হচ্ছে।

যদি ওই এয়ারটেল এবং জিও এখনো ৫ জি যন্ত্রাংশের জন্য পারচেজ অর্ডার প্লেস করেনি। মনে করা হচ্ছে নীলাম প্রক্রিয়া শেষ হলেই অর্ডার দেবে এই দুই ভারতীয় সংস্থা। নোকিয়া এবং ইরেকশনের সঙ্গে দীর্ঘদিন হাত মিলিয়ে কাজ করার পরেও দ্রুত 5জি নেটওয়ার্ক তৈরিতে এবার স্যামসাংয়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজ করতে চলেছি এয়ারটেল।