দেশনতুন খবরবিশেষ

ভারতের হাতে থাকা এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের ভয়ে এখনও কাঁপে চীন-পাকিস্তান..

বর্তমানে ভারতের সামরিক শক্তি যে অনেকটাই বেড়ে গেছে তা আমরা হাতে নাতে প্রমাণ পাচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের বাহিনীদের জন্য নানান ধরনের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র বিমান নিয়ে আসছে যাতে শত্রুদের কড়া জবাব দেওয়া যায়। আর এমন সময়ে ভারত-পাক অশান্তির মধ্যে একটি নয়া তথ্য সামনে এলো যেটি শুনে শত্রুপক্ষের ঘুম উড়ে যাবে। এক গবেষণা সংস্থা ক্রেডিট স্যুশের এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের বিমান বাহিনী বর্তমানে বিশ্বের সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছে।

অন্য এক সমীক্ষায় দক্ষতার ক্ষেত্রে ভারতীয় বিমানবাহিনীকে চীনের বিমান বাহিনীর থেকেও এগিয়ে রাখা হয়েছে।কিন্তু এই দুই সমীক্ষার মধ্যে প্রথম 10 এর ধারে কাছে নেই পাকিস্তান। সমস্ত কিছু যুদ্ধের সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও বিমান বাহিনীর পেশাদারিত্বের ধরন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্যের অভাবেই পাকিস্তানের আজকে এই অবস্থা বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই ভারতের বিমান বাহিনীর কাছে পৃথিবীর অন্যতম সেরা যুদ্ধবিমান সুখই-30 রয়েছে। এই যুদ্ধ বিমানটি রাশিয়ায় তৈরি হয়েছে। এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান টিতে ক্যানার্ড নামের দুটি বিশেষ জানা রয়েছে।

যুদ্ধবিমানের এই দুটি অতিরিক্ত ডানা তার গতিকে নিয়ন্ত্রন করে এবং ভারসাম্য বজায় রাখে। এছাড়াও এতে ট্রাস্ট ভেক্টর নামে একটি কন্ট্রোল থাকে। এই কন্ট্রোল যুদ্ধবিমান টিকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে দ্রুত গতিতে যেতে সাহায্য করে। রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা এই সুখই-30 এখন ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম অস্ত্র।বিশ্বের সেরা যুদ্ধবিমান গুলির মধ্যে এটি একটি।ভারতের কাছে এই বিমানটি থাকার ফলে পাকিস্তান তো চিন্তিত আছে তার সাথে সাথে চীন ও চিন্তিত। এছাড়াও এই সুখোই-30 এখন আরো ভয়ানক হতে চলেছে শত্রুদের জন্য।

কারণ গত জুন মাসে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মোস কে নিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে আকাশে উড়েছে। এর ফলে ভারতীয় বিমান বাহিনীকে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে তা মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারত ও রুশ দুজনার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রটি শব্দের বেগের থেকেও দ্রুত গতিতে ছুটে। এছাড়াও এই ক্ষেপণাস্ত্র টি লক্ষ্যবস্তুতে একেবারে নির্ভুল ভাবে আঘাত করে। ব্রহ্মোসের এই বৈশিষ্ট্যটি তাকে আরো ভয়ানক করে তুলে। এবং এর থেকে দ্রুতগামী মিসাইল পৃথিবীতে এখনও পর্যন্ত তৈরি হয়নি।

 

Related Articles

Back to top button