আবারো দুর্যোগের আশঙ্কা, সরাসরি না হলেও কতখানি প্রভাব পড়তে চলেছে বাংলাতে ঘূর্ণিঝড় অশনির

নতুন বছর আসতে না আসতেই শুরু হয়ে গেছে নিম্নচাপের মেলা। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা ইতিমধ্যেই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে গেছে। এই নিম্নচাপের অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরের কাছাকাছি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে বলে জানা গেছে। তবে এই নিম্নচাপ সৃষ্টি হবার পরেও আগামী চার পাঁচ দিন কোন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুধুমাত্র দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ হতে পারে হালকা বৃষ্টি। দিনের বেলায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

সোমবার বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে চলেছে সেই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করেছে শ্রীলঙ্কা। প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ উত্তর দিকে এগিয়ে গেলেও পরবর্তীকালে তা ঘুরে যাবে উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব দিকে। মঙ্গলবার সকালের মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর মালাবার উপকূলের স্থলভাগে প্রবেশ করবে। দক্ষিণ বাংলাদেশের জেলাগুলিতে এই ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব পড়বে। পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি প্রভাব না পড়লেও প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলোতে, যার ফলে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন ঘটবে।

প্রচুর জলীয়বাষ্প পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়লে কিছুটা অস্বস্তি বাড়বে আমাদের। তবে এই মুহূর্তে বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। আগামী বেশ কিছু দিনের তাপমাত্রা একই থাকবে। শীত পুরোপুরি বিদায় জানিয়েছে, প্রবেশ করেছে বসন্তকাল। কলকাতা তাপমাত্রা থাকতে পারি ২৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ থাকবে ২৪ থেকে ৯২ শতাংশ।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী কিছু কিছু জেলায় সামান্য বাড়বে তাপমাত্রা। কালিম্পং এবং দার্জিলিং ছাড়া উত্তরবঙ্গের বাকি জেলায় কোন বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। ২২ মার্চ মঙ্গলবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে উপকূলের জেলাগুলিতে।