পেট্রোল-ডিজেল জ্বালানির পর এবার এক ধাক্কায় এপ্রিল থেকে 20 শতাংশ দাম বাড়বে ওষুধ পত্রের

এযাবৎ কালে আমরা দেখতে পাচ্ছি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাস এবং পেট্রোলের দাম। এবার রান্নার গ্যাস এবং পেট্রোলের সাথে বাড়তে চলেছে ঔষধের দাম। ১৯ মার্চ শুক্রবার জাতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে সরকার ওষুধ প্রস্তুতকারীদের থেকে পাইকারি মূল্য সূচকে (Wholesale Price Index) 0.5 শতাংশ হারে বাড়ানোর অনুমতি মিলছে ।

 

এপ্রিল মাসের গোড়ার দিক থেকেই পেইনকিলার, অ্যান্টিনোফ্ল্যাটিভ, কার্ডিয়াক এবং অ্যান্টিবায়োটিক সহ বেশকিছু প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম ২০ শতাংশ হারে বাড়তে চলেছে। ওষুধ প্রস্তুতকারীরা বলেছে ওষুধ শিল্পে উৎপাদনের জন্য খরচ বেড়েছে প্রায় ১৫-২০ শতাংশ। সরকারের তরফ থেকে ওষুধ প্রস্তুতকারকদেরকে বার্ষিক পাইকারি মূল্য সূচকের (ডব্লিউপিআই) ভিত্তিতে ওষুধের দাম পরিবর্তন করার অনুমতি দিয়েছে।

করোনা মহামারীর জন্য যেমন ভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অপরদিকে এর প্রভাব পড়তে চলেছে এবার বিভিন্ন ধরনের ওষুধের উপর। কার্ডিও ভাস্কুলার, ডায়াবেটিস, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি-ইনফেকটিভ এবং ভিটামিন ওষুধ উৎপাদনের জন্য আমাদের চীনের উপর নির্ভর করে থাকতে হয়। এই সমস্ত ওষুধগুলোর ৮০-৯০ শতাংশ আমদানি করা হয় চীন থেকে।

চীন দেশে করোনার ভয়াবহ প্রকোপ আঘাত হানে। তাই এই সমস্ত ওষুধের আমদানিতে বিঘ্ন ঘটে। এই জন্য ওষুধ আমদানি খরচ বৃদ্ধি পায়। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে চীন থেকে আবার ওষুধ আমদানি শুরু হয়। তখন চীন আগের থেকে ১০-২০ শতাংশ ওষুধের টাকা বাড়িয়ে দেয়। তাই ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবার ওষুধের দাম বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।