অবশেষে খুলে গেল রামসেতুর রহস্য ! জানুন কেন কখনো ডুবে না রাম সেতু নির্মাণের পাথর।

আজ আমরা আপনাদেরকে এমন একটি ঘটনা সম্বন্ধে বলবো যেটা রামায়ণের সাথে যুক্ত। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন রামায়ণ এর সাথে যুক্ত আপনারা হয়তো অনেকে রামায়ণ পড়েছেন আবার অনেকে হয়তো সেটাকে দূরদর্শনে দেখেছেন। আজকের আলোচ্য বিষয় হলো সেই রামায়ন কে নিয়ে প্রভু শ্রী রাম চন্দ্র যখন মাতা সীতাকে খোঁজার জন্য সমুদ্র সৈকতের উপর বানর সেনা দ্বারা একটি সেতু নির্মাণ করেন যা পরবর্তীকালে রামসেতু নামে পরিচিত হয়। যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন যে এই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল পাথরের দ্বারা এবং বলা হয়েছিল এই পাথরগুলির ওপর প্রভু শ্রী রাম এর নাম লিখলে পাথরগুলি জলে ডুবে যাবে না বরং জলের ওপরে ভাসবে আর হয়েছিল ঠিক এমনই।

আপনাদের সুবিধার্থে বলে দি এই সেতুটি বানাতে সময় লেগেছিল মাত্র 5 দিন। কথিত আছে যে এই সেতুটি লম্বায় 30 কিলোমিটার এবং চওড়ায় প্রায় 3 কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। যখন এই সেতুটি নির্মাণ হয়েছিল তখন প্রভু শ্রীরাম তার বানর সেনা কে নিয়ে এই সেতু দিয়েই লঙ্কায় প্রবেশ করেছিলেন এবং রাবণের বদ করেছিলেন।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার এটাই যে, এই সেতু নির্মাণে যে পাথরগুলি ব্যবহার করা হয়েছিল সেগুলি জলের ওপরে ভাসমান অবস্থায় ছিল।তার থেকেও বড় কথা এই সেতুটি ভারতের রামেশ্বরকে শ্রীলংকার মান্নার এর সাথে সংযুক্ত করেছিল এখন এটিকে adam’s ব্রিজ নামে জানা যায়। অনেক লোক এটাকে চমৎকার মনে করেন যার জন্য জলের উপর পাথরের এইভাবে ভাসমান কেউ চমৎকার হিসাবে মেনে নিয়েছেন তবে বিজ্ঞানীরা এর আসল সত্য খোঁজার জন্য এই পাথরের ওপর গবেষণা করেন এবং বলেন যে এই পাথরটি সাধারণের পাথরে তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা এ পাথরটির নাম প্যুমাইস স্টোন।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে এই পাথরটি জ্বলামুখির লাভা থেকে উৎপন্ন হয় এবং এই পাথরের মধ্যে অনেক গুলিবিদ্ধ ছিদ্র থাকে যার জন্য এই পাথরটি জলের মধ্যে ডুবে যায় না বরং জলের উপরে ভাসমান অবস্থায় বিরাজ করে। বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সমুদ্রে নির্মিত রাম সেতুর একটি স্যাটেলাইট করেন যার মাধ্যমে তারা খবর লাগান এই সেতুতে ব্যবহার করা পাথরের রহস্য। তবে এই সেতুটি বর্তমানে জলের নিচে ডুবে রয়েছে যার জন্য এটি সবাই খালি চোখে দেখতে পান না। তো বন্ধুরা আপনাদের কি ধারণা বিজ্ঞানীদের এই খোঁজের সম্বন্ধে আমাদের অবশ্যই জানাবেন।