বাংলার পর ত্রিপুরায় ট্রেন্ডিং খেলা হবে স্লোগান, ‘ত্রিপুরা কইতাসে মমতাদি আইতাসে”

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবথেকে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে মমতা ব্যানার্জি। অনেকেই মনে করছেন ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে বিভিন্ন অঞ্চলের মহাজোট। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তৃণমূলের এখন সব থেকে প্রয়োজনীয় দলের বিস্তার বাড়ানোর। বাংলা ছাড়া তৃণমূলের আর একটি জায়গা রয়েছে তার সবটা জুড়ে রয়েছে বাঙালি।

জায়গাটি হল তৃণমূল অধ্যুষিত ত্রিপুরা। ত্রিপুরায় এখন রাজত্ব করছে বিজেপি সরকার। আর এই বিজেপি সরকারকে সরানোর জন্যই ত্রিপুরার মাঠে নামতে চলেছে তৃণমূল। এমনই কথা উঠে আসছে একটি গানের লাইন থেকে- ত্রিপুরা কইতাসে মমতাদি আইতাসে”,। বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে দেবাংশু ভট্টাচার্যের ‘খেলা হবে’ গানের স্লোগানটিতে মেতেছিল বঙ্গবাসী। আর এরপরই ‘ত্রিপুরা কইতাসে মমতাদি আইতাসে”, এই স্লোগানটি ভাইরাল হয়েছে।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সঙ্গে সুদীপ রায় বর্মনের মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা আমরা সকলেই জানি । সুদীপ রায় বর্মনের সাথে মুকুলের খুবই ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধে রয়েছে। আর এই তৃণমূল ত্রিপুরা জয়ের ভার পড়েছ মুকুল রায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের ওপর। তাই মনে করা হচ্ছে সুদীপ রায় বর্মন দল পরিবর্তন করতে পারেন।

‘ত্রিপুরা কইতাসে মমতাদি আইতাসে’ এই গানের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী এছাড়াও আরও কয়েকটি প্রকল্পের কথা ঘোষিত হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপেও অনেকে এই গানটি শেয়ার করছেন। আবার ত্রিপুরার বিভিন্ন চায়ের দোকানেও এই গানটি বাজাতে শোনা যাচ্ছে।

২০২৪ সালে মোদিকে দিল্লীর সিংহাসন থেকে নামাতে গেলে এখন থেকেই প্রয়োজন সুস্পষ্ট রণনীতির। এরইমধ্যে প্রশান্ত কিশোর দিল্লি থেকে মোদি সরকারকে হারানোর জন্য বিভিন্ন অঞ্চলের জোটগুলিকে একত্রিত হওয়ার অনুরোধ করেছেন। শরদ পাওয়ার এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দেখেছেন পরবর্তীকালে মহাজোটের মাধ্যমে লোকসভা ভোটে ৩০০ টি আসন পেতে পারে মহাজোট।