প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কেনেননি কিছুই, নেই কোনও গাড়ি! প্রকাশ্যে এলো নরেন্দ্র মোদীর সম্পত্তির পরিমান

এক সাধারন চাওয়ালা থেকে আজ তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী ।মাঝখানে কেটে গেছে অনেক কটা বছর।কিন্তু নরেন্দ্র মোদির জীবনে সেভাবে কোনো পরিবর্তন আসেনি ।আজও অত্যন্ত সাধারণ ভাবে তিনি জীবন কাটাতে পছন্দ করেন। তাঁর জীবন যেন সাহস ,করুণা এবং নিরবিচ্ছিন্ন কঠোর পরিশ্রমের এক অভিযাত্রা। অত্যন্ত দারিদ্র্যে সাথেই মানুষ হওয়ার ফলে তিনি প্রথম থেকেই শপথ নিয়েছিলেন মানুষের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করবেন।

২০২০ সালের হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মোট সম্পত্তি ছিল ২ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। এক বছর পর তারই সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ কোটি ৭ লক্ষ টাকায়। মোট সম্পত্তি ২২ লক্ষ টাকা এক বছরের মধ্যে বেড়ে দাঁড়ায় । তবে তাঁর কোন শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ নেই। তাঁর ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট সঞ্জিত রয়েছে ৮ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। এছাড়া তাঁর দেড় লক্ষ টাকার জীবন বীমা পলিসি আছে। ২০১২ সালে ২০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি L & T ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ড কিনেছেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গুজরাটের গান্ধীনগরে ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের একটি ফিক্সড ডিপোজিট আছে। ২০২১ সালে ৩১ শে মার্চ সেখানে ১.৮৬ কোটি টাকা হয়েছে তার সম্পত্তি বৃদ্ধির প্রধান কারণ এটি কি ধরা হয় ।বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। সোনা বা অন্য ধাতুর গণনার হিসাব দিতে গিয়ে দেখা যায় তার কাছে রয়েছে চারটি সোনার আংটি যার দাম ১ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা।

Advertisements

এই বছরে হিসাব মত তাঁর অ্যাকাউন্টে দেড় লক্ষ টাকা রয়েছে । নগদ টাকা হিসাবে তাঁর কাছে রয়েছে ৩৬,০০০ টাকা। এছাড়া গান্ধীনগর সেক্টর ওয়ান এ তাঁর ৩, ৫১৩ বর্গ ফিটের একটি প্লট রয়েছে । ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আর নতুন করে কোনো সম্পত্তি কেনেননি নরেন্দ্র মোদি। সরকারের তরফ থেকে বেশ অনেক বছর আগে থেকেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সমস্ত প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা আর্থিক বছরে প্রত্যেকে নিজের ইচ্ছায় সম্পত্তি এবং ঋণের তথ্য প্রকাশে আনবেন।

Advertisements

অটল বিহারী বাজপাই এর কার্যকালের সময় থেকেই এই নিয়ম চালু করা হয় । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্পত্তি এবং অন্যান্য যাবতীয় তথ্য তাঁর ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় । রাজনীতির আঙিনায় তাঁর এই চা-ওয়ালা পরিচয় তাঁকে প্রতিষ্ঠা করেছিল। তাই আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও অত্যন্ত সহজ সরল জীবনযাপন করতেই তিনি পছন্দ করেন।