বাবুল সুপ্রিয়র পরে কী এবার লকেট পদ্ম থেকে ঘাস ফুলের দিকে? কুনালের ট্যুইটের মোক্কম জবাব লকেটের

পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া শিবির ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক বিধায়ক ও নেতারা। তবে তারা সাধারণ মানুষই হোক বা কোনো বড় গায়ক বা কোন অভিনেতা-অভিনেত্রী। ২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয় আর এই বিজেপির হাত ধরেই তার রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত। তবে তিনি ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে গেরুয়া শিবির ছেড়ে যোগদান করেন তৃণমূল শিবিরে। আর এই পথেই হাঁটতে চলেছে বিজেপির আরেক জনপ্রিয় নেতৃ লকেট।

২০১৫ সালে বিজেপির হাত ধরে তার রাজনীতি জীবনে প্রথম পথ চলা শুরু। তিনি ও একজন জনপ্রিয় বিজেপি নেত্রী ছিলেন। তার সংসদীয় এলাকা ছিল হুগলি। তবে এবার কি লকেটের বদল এর সময় এসেছে। আর এই বিষয়ে আরো জল্পনা বাড়লো কুনালের ট্যুইট।ভবানী পুরের উপনির্বাচন ৩০ সেপ্টেম্বর। আর নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রচার এর দিন শেষ সোমবার। বিজেপির কুড়িজন স্টার প্রচারকের তালিকায় নাম রয়েছে লকেট চট্টোপাধ্যায়।

তবে সোমবার পর্যন্ত ভবানীপুরে প্রচার করতে দেখা যায়নি হুগলির বিজেপি সাংসদকে। সেই প্রচারে তার অনুপস্থিতি নিয়ে তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক, “কুনাল ঘোষ” এক জল্পনা মুলক টুইট করেন। এতে লেখেন, “ভবানীপুরে প্রচার না করার জন্য তারকা প্রচারক লকেট চট্টোপাধ্যায় কে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। বিজেপির তরফ থেকে বহুবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও আপনি আসেননি আপনি। যেখানেই থাকুন, বন্ধু হিসেবে আপনার সাফল্য কামনা করব। পৃথিবীটা খুব ছোট।

Advertisements

আশা করি সেই দিনগুলো ফিরে আসবে, যখন আপনি রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন।” আর এই ট্যুইট নিয়েই জল্পনা বাড়ে রাজনৈতিক মহলে। গুঞ্জন ছড়ায় যে, বাবুলের পরে লকেট ও তৃণমূলে যোগ দেবেন?যদিও কিছুক্ষণ পরেই এই জল্পনার কড়া জবাব দেন লকেট চট্টোপাধ্যায় নিজেই। কুণাল ঘোষকে খোঁচা দিয়ে তিনি ট্যুইটারে লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে ভবানীপুর থেকে নির্বাচনে হেরে না যায় আপনি বরং সেদিকে খেয়াল রাখুন।”

Advertisements

এর উত্তরে কুনাল ঘোষ ট্যুইটে লেখেন, “চিন্তা করবেন না বড় মার্জিনে মমতাদি জিতবেন। আপনিও এটা চান। আমি জানি আপনাকে দলের হয়েই কথা বলতে হবে।এরপরও আপনাকে ধন্যবাদ জানাবো যে উত্তরে আপনি বিজেপি প্রার্থীর নাম উল্লেখ করেননি।”

এর পাল্টা জবাব দেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, “গোটাটাই তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি। সেই কাজই আমি করছি। ভবানীপুরের জন্য দিলীপ দা, শুভেন্দু দা, রুপা দিরা রয়েছেন। ভবানীপুরে জয় নিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সন্দেহ রয়েছে।” এমনই মতামত জানিয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়।