আবারো বড়সড় ধাক্কা খেলো চীন! আমেরিকার পর এবার অস্ট্রেলিয়া ও বেজিং অলিম্পিক বয়কটের পথে হাঁটল

আগামী বছরে হতে চলা শীতকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠানে এবার চীনকে বয়কট করেছে আমেরিকা। আমেরিকার দেখানো পথে অস্ট্রেলিয়াকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে চীনকে বড়সড় ধাক্কা দিল। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বেজিং অলিম্পিকে কূটনৈতিকদের কথা বলেন। এর আগেও একই ভাবে আমেরিকা অলিম্পিকের কূটনৈতিক বয়কট করার কথা ঘোষণা করেছিলেন চিনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে।

আমেরিকার এই পদক্ষেপ ভীষণভাবে কড়া বার্তা বহন করছে চীনের জন্য। যদিও এই প্রসঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমেরিকার এই কূটনীতিক বহিষ্কার করার ভাবনা আদতে কিন্তু অলিম্পিকের ভাবনার লংঘন করা। চীন যখন কূটনৈতিক বয়কটের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ঠিক সেইসময় যুক্তরাষ্ট্র এই ঘোষণা করেছে।

এই প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, আমেরিকার ক্রীড়াবিদরা এই অলিম্পিকের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। আমরা সম্পূর্ণভাবে ক্রীড়াবিদদের পূর্ণ সমর্থন করবো। তবে গেমস সম্পর্কিত ইভেন্টে অংশগ্রহণ করব না।

আগামী বছরে অনুষ্ঠিত হতে চলা শীতকালীন অলিম্পিকের প্রসঙ্গে সাকি বলেন, চীনের জিনজিয়াং মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নিশংস তার পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন। আমরা মানবাধিকারের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবো। মার্কিন কূটনীতিকরা এই গেমসটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করবেন।

এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চীন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি আগামী অলিম্পিক গেমসে ওয়াশিংটন কূটনৈতিক বয়কট করে তাহলে বেজিং প্রতিশোধ নেবে যথাযথ। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই কাজ করে থাকলে তা হবে রাজনৈতিকভাবে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ ছলনা মূলক এবং অলিম্পিকের মত মহান অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে মারাত্মক বিকৃতি।

গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার মুখপাত্র ক্রিস্টাল বলেন, চীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদ্বেগজনক প্রতিবেদনে কানাডা ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছে। আগামী দিনে চীনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।