NRS কাণ্ডের দ্রুত সমাধানের জন্য এবার প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ চাইলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী…

এখন এনআরএস কান্ড নিয়ে উত্তাল রয়েছে সমগ্র রাজ্য। আর ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে অনেক সাধারণ মানুষকে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সেখানে এডমিট থাকা রোগীদের।তাই এবার এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। যেমন কি আপনারা জানেন রাজ্যের রাজধানী কলকাতা তে এন আর এস মেডিকেল কলেজে এক ডাক্তারি পড়ুয়া আক্রান্ত হয়েছেন খবর সূত্রে জানতে পারা যায় তার অবস্থা এখন খুবই আশঙ্কাজনক।

তাই এখন তার প্রতিবাদে কর্মবিরতি শুরু করেছে ওই মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা।আর সেই ধারা বজায় রেখে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারাও একই পন্থা নিয়েছেন।আর এর প্রতিবাদে কারণে রাজ্য জুড়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাছাড়া অনেক রোগী বঞ্চিত হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক চিকিৎসা পরিষেবা থেকে।তাই এবার এই সমস্যার সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন বহরমপুরের সাংসদ।

এই সমগ্র বিষয় টিকে দ্রুত সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী কাছে আবেদন জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ অধীরবাবু। এই দিন তিনি কোন পক্ষের প্রতি অবস্থান না নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিতে লিখেছেন এনআরএস হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারের ওপর মারাত্মক হামলা হয়েছে আর যার দরুন তার প্রাণ এখন আশঙ্কাজনক। যার দরুন রাজ্য মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকেরা প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। যার জন্য চিকিৎসা করাতে আসা অনেক রোগীদের পড়তে হচ্ছে সমস্যায়।

এই চিঠিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি বিশেষ অনুরোধ করেছেন যেখানে তিনি বলেছেন এই বিষয়টিকে তিনি যেন গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখেন। সবমিলিয়ে বাংলায় যে এক চরম ‘অরাজকতা’র সৃষ্টি হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রিকে জানিয়েছেন বহরমপুরের সাংসদ। তবে এর আগে প্রধানমন্ত্রী কে চিঠি লেখা ছাড়াও অধীর রঞ্জন চৌধুরী মঙ্গলবার দিন রাতের দিকে ফেসবুকে এই বিষয়ে পোস্ট করেন। এই দিন তিনি তিনটি পোস্ট করেন প্রথম পোস্টে তিনি লেখেন সারা বাংলা জুড়ে
অরাজকতা, ডাক্তার-ধর্মঘট, রুগীরা প্রাণ হাতে হাসপাতালের দরজায়, কিন্তু সরকার নীরব রয়েছে।

ডাক্তারবাবুরা, আপনারা মানুষের কাছে ঈশ্বরের প্রতিনিধি, ঈশ্বরের অংশ, তাই অনুরোধ, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন। সারা বাংলার সাধারণ মানুষ আপনাদের সঙ্গে থাকবে। ধিক্কার জানাই মুখ্যমন্ত্রীকে, রাজ্য জ্বলছে আর ‘নিরো’ মুখ্যমন্ত্রী নির্বিকার।” আর এই পোস্ট করার এক ঘন্টা পর তিনি আরও দুটি পোস্ট করেন যেখানে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আক্রমন করে বলেন,ডাক্তার বাবু দের ওপর দৈহিক আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।বাংলায় একি অরাজক অবস্থা চলছে!!! এখনই মুখ্যমন্ত্রী ‘দিদি’, (আপনি আবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীও) হস্তক্ষেপ করুন।”

সবশেষে পোষ্টের মাধ্যমে তিনি সমস্ত পরিস্থিতির বিচার করার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।এদিন তিনি আরো বলেন আহত ডাক্তারবাবুকে বাঁচানোর জন্য সরকার থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর এরকম ভাবে যদি আন্দোলন চলতে থাকে তাহলে ডাক্তারের অভাবে রোগীরা যেভাবে মারা যাচ্ছে আগামী দিনে সেই সংখ্যার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে, খুব তাড়াতাড়ি এ সমস্যার সমাধান করুন না হলে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে চলেছে আমাদের বাংলা।