ভয়ে কাঁপবে ভারতের শত্রু দেশ চীন ও পাকিস্তান, DRDO-র সঙ্গে মিলে বিধ্বংসী বোমা বানালো আদানি গ্রুপ

বর্তমানে আরো একবার আলোচনায় উঠে এলেন গৌতম আদানি এবং আদানি সংস্থা। আদানি ডিফেন্স এন্ড এরোস্পেস আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যকে আর এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। আদানি সংস্থা DRDO সংস্থার সঙ্গে মিলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর জন্য প্রস্তুত করছে এক বিশেষ বোমা। নতুন এই বোমার নাম গৌরব। এটি একটি লং রেঞ্জ গ্লাইড বোম। এর আগে ১০ হাজার কেজির এই বোমার সফল পরীক্ষণ চালানো হয় গত বছর। পরীক্ষণ করতে গিয়ে দেখা যায়, এই বোমা তার লোককে নির্ভুলভাবে আঘাত করতে পারে। এটি একটি লাইট টাইপের আধুনিক বোমা যা বাতাসে উড়ে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানতে পারে।

তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বোমা গুলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর কতখানি কার্যকর প্রমাণিত হবে। এই বোমার বিশেষত্ব কি এবং শত্রুদের ধ্বংস করার জন্য এই হাতিয়ার কতখানি শক্তিশালী হতে চলেছে আগামী দিনে। গৌরব লং রেঞ্জ গ্লাইড বোমা তৈরি করেছে আদানি ডিফেন্স এন্ড এরোস্পেস। এই বোমা তৈরি করতে সহায়তা করেছেন ডিফেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। ডিআরডিওর বিজ্ঞানীরা এই ধরনের দুটি বোমার নকশা তৈরি করেছেন এবং এই ডিজাইনগুলি তৈরীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আদানির কোম্পানিকে।

আদানি কোম্পানি দুটি বোমা তৈরি করেছে যেটির প্রথমটির নাম গৌরব এবং দ্বিতীয় টির নাম গৌতম। দুটি বোমাই ভীষণভাবে শক্তিশালী এবং দুটি বোমা বহুদূরের লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। চলুন এই বোমা দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

বোমার গুণাবলী:—

১) বোমার ওজন: গৌরব মাটির ওজন এক হাজার কেজি। অন্যদিকে গৌতমের ওজন ৫৫০ কেজি। দুটি বোমার দৈর্ঘ্য ৪ মিটার।
২) বোমা দুটির রেঞ্জ: গৌরব বোমা ১০০ কিলোমিটার রেঞ্জ পর্যন্ত ফ্লাইট করতে পারে অন্যদিকে গৌতম ডানা ছাড়া ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ফ্লাইট করতে পারে।
৩) কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়: দুটি বোমাতেই বসানো রয়েছে শক্তিশালী নেভিকেশন সিস্টেম যেগুলি জিপিএস এবং নেভিক স্যাটেলাইট সিস্টেমের সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত হয়ে লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে।
৪) কোন যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ব্যবহার করা হবে এই বোমা: এই বোমা গুলি sukhoi Su- 30 MKL ফাইটার জোটের সঙ্গে ব্যবহার করা যেতে পারে। গত বছর বাল আসরে অনুষ্ঠিত ট্রায়ালে এই জেট থেকে গৌরব বোমা পরীক্ষা করা হয়েছিল।