এ তো পাথর নয়, ৬০ লাখের হীরে! রাতারাতি বদলে গেল শ্রমিকের ভাগ্য, জানুন বিস্তারিত

মানুষের কঠোর পরিশ্রমের ওপর বিশ্বাস থাকতেই হবে, তবে কোনো কাজ করার ক্ষেত্রে ভাগ্যেরও কিছু শতাংশ থাকে। যখন এই ভাগ্য আপনার সমর্থনে আসে, এটি আপনাকে এমন কিছু দেয় ,যা আপনি চিন্তাও করেননি। মধ্যপ্রদেশের এক শ্রমিকের সাথে এমনই কিছু ঘটেছিল, যার ফলে রাতারাতি তাঁর ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলার এক শ্রমিক সম্প্রতি কোটিপতি হয়েছেন এবং তিনি তাঁর খুশি ধরে রাখতে পারছেন না। তিনি একটি অমূল্য হীরা খুঁজে পেয়েছেন, যার দাম প্রায় ৬০ লাখ টাকা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক পুরো বিষয়টি সম্পর্কে। দৈনিক ভাস্করের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, মধ্যপ্রদেশের হীরা নগরী নামে একটি বিখ্যাত জেলা পান্নাতে ঝাড়কুয়া নামে একটি গ্রামে বসবাসকারী প্রতাপ সিং যাদব নামক এক কিছু দিন আগে কৃষ্ণ কল্যাণপুরে অবস্থিত একটি অগভীর খনিতে একটি হীরা ঘষেছিলেন এবং সেই হীরাটি ১১.৮৮ ক্যারেটের বলে জানা গেছে। সেই ১১.৮৮ ক্যারেট হীরার দাম ৬০ লাখ টাকার বেশি হতে পারে। প্রতাপ সিং যাদব তিন মাস দিনরাত পরিশ্রম করে এই হীরাটি হাতে পান।

অন্যদিকে, নিউজ ১৮এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাদব শ্রম করে সংসার চালাতেন। দারিদ্রে ক্লান্ত হয়ে তিনি ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি হীরা অফিসে আবেদন করেন এবং সরকার তাঁকে ১০/১০এর হীরার খনি খননের জন্য ইজারা দেয়। যাদব কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন এবং সেই কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ তিনি ১১.৮৮ ক্যারেটের একটি হীরা পেয়েছিলেন। হীরা অফিসার রবি প্যাটেল জানান, প্রতাপ যেই হীরাটি পেয়েছেন, সেটি জ্যাম মানের। হীরাটি নিলামে রাখা হবে এবং ১২ শতাংশ রয়্যালটি কেটে নেওয়া হবে এবং বাকি টাকা হীরা প্রাপককে দেওয়া হবে।

যাদব সরকারী অফিসে হীরা যা করেন এবং তিনি ভগবান যুগল কিশোরকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যাদব বলেন, হীরা থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে তিনি তাঁর বাড়ির আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটাবেন। আপনাদের অবগতির জন্য জানিয়ে রাখি, কয়েক মাস আগে সুনীল শুক্লাও পান্নায় হীরা পেয়ে ধনী হয়েছিলেন। সুশীল শুক্লা প্রায় ৩০ বছর ধরে হীরা খুঁজছিলেন এবং শেষপর্যন্ত শুক্লা ১০ কোটির বেশি মূল্যের হীরা পেয়েছিলেন।