ফ্লিপকার্ট ও অ্যামাজনকে পাঠানো হলো ডিসিসিআই থেকে নোটিশ।

এই উৎসবের সময় ফ্লিপকার্ট অ্যামাজন তাদের নানা রকম অফার নিয়ে  তুলে ধরছে আমাদের সামনে, আর যথাযথ আমরা সে গুলোকে তারাহুরে ভাবে ক্রয় করে  নিচ্ছি । চলছে অনলাইনে শপিংয়ের লুট, কিন্তু এ সস্তায় অনলাইনে কেনার মধ্যেও কী ভেজাল থেকে যাচ্ছে না ? এমনই প্রশ্ন তুললে দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল বোর্ড অফ ইন্ডিয়া । তারা দাবি করেছে অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্ট থেকে  ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে । তাই এই দুই সংস্থাকে ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছে । গত 25 ও 26 তারিখে এ সংস্থাগুলিতে ডিসিসিআই হানা দেয় এবং তারা প্রায় চার কোটি টাকা প্রসাধনী সামগ্রী আটক করে।

তাদের মধ্যে রয়েছে বিদেশি সামগ্রী যেগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে এবং ডিসিসিআই জানিয়ে দেয় 10 দিনের মধ্যে ফ্লিপকার্ট ও অ্যামজন কে জবাব দিতে হবে এবং এই 10 দিনের মধ্যে তারা জবাব না দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কড়া পদক্ষেপ।
1940  ড্রাগ অ্যান্ড কম ইউ কসমেটিক আইন অনুযায়ী ভেজাল নকল সামগ্রী উৎপাদন ও বিক্রি করা বড় অপরাধ । যদিও বলা বাহুল্য ফ্লিপকার্ট বা অ্যামাজনের নিজস্ব কোন প্রডাক্ট নেই অন্যান্য ছোটখাটো কোম্পানিরা প্রডাক্ট , ফ্লিপকার্ট অথবা আমাজনের দ্বারাই বিক্রি করে তাই ডিসিজিআই নোটিশ পাঠিয়ে দিয়েছে এই দুই সংস্থাকে যদিও কিছুদিন আগে আরেকবার এমনি নোটিশ তাদের পাঠানো হয়েছিল কিন্তু সে সময় তেমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

Related Articles

Close