মেয়েকে নিয়ে দুপুর রোদে বিক্রি করতো পেন,কেউ একজন ছবি তোলে আর বদলে যায় তার জীবন..

আপনাদের আমরা জনিয়ে দিই যে ,এইসময় সিরিয়াতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে । সেই কারণে সেখানে থাকা জনসাধারণের জিবন উথাল-পাথাল হতে শুরু হয়ে গেছে। লোকেরা এই গৃহযুদ্ধ দেখে নিজের দেশ ছেড়ে অন্যদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।আপনাদের আরো জানিয়ে দিই যে ,লেবানন এর শহর বেরুতে এমন সিরিয়ান রিফ্যুজি আছে যারা রাস্তাই থাকার জন্য অসহায় হয়ে গেছে। আর এ সকল লোকেরা ছোটখাটো কাজ করে নিজেদের পেট ভরানোর জন্য অসহায় হয়ে যায়।

এছাড়াও এরা টাকা রোজগারের জন্য রাস্তায় পেন ও বিক্রি করেন, কিন্তু একটি ছবির জন্য যার জীবন পুরোপুরি বদলে গেল সেই লোকটির নাম হল “আব্দুল”। তিনি তার নিজের মেয়েকে নিজের কাঁধে উঠিয়ে রাখেন, আর এই উত্তপ্ত রোদে তিনি পেন বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন, আর এই ছবি সকলকে কাঁদিয়ে দিল। এই ছবিগুলি ছড়িয়ে পড়ার পর একটি রিপোর্টার টুইটারে একটি একাউন্ট বানিয়ে দেন , এই অ্যাকাউন্ট এ ৫০০০০ ডলারের লক্ষ্য রাখলো ।

আপিল করার সময় পুরো হয়ে যাওয়ার পর দেখা গেল যে এই একাউন্টে কেবল ১ কোটি ২৫ লক্ষ সহায়তা প্রাপ্ত হল এবং জার্নালিস্টটি পুরো টাকা আব্দুল কে দিয়ে দিলেন। সেই টাকা থেকে আব্দুল একটি ব্যাবসাও শুরু করলেন এবং বাকি রিফুজিদেরও সাহায্য করলেন তিনি। এবং সেইসঙ্গে ১৬ জন রিফুজিদের তার ব্যবসাতে শামিল করলেন। লেবাননে কমবেশি ১২ লক্ষ জন রিফ্যুজি আছে। আর এখন আব্দুল এর কাছে কোন জিনিসের অভাব নেই । সকলের সাহায্যে তিনি আজ ব্যবসায়ী। বর্তমানে তিনি একটি বিশাল ফ্ল্যাটে নিজের মেয়ে রীম ও ছেলে আব্দুল্লাহ কে নিয়ে থাকেন।