চাপ বাড়তে চলেছে চীন সহ পাকিস্তানের! এবার ভারতের উত্তরপ্রদেশে ৪০ টি কোম্পানি বিনিয়োগ করতে চলেছে ১৭০০ কোটি টাকা

শিল্পোন্নয়ন ঘটানোর তাগিদে এক নয়া নীতির আবির্ভাব ঘটালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন নীতি আনেন। যোগী সরকারের নেতৃত্বে চালু হয় ইনভেস্টর ফ্রেন্ডলি নীতি, যার ফলে এখন ইনভেস্টমেন্টের খেলা একেবারে বদলে গেছে।

উত্তরপ্রদেশের শিল্প পরিবেশকে পুরোপুরি পাল্টে দিতে চলেছে যোগী সরকার। আমেরিকান টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট ও এম এ কিউ সফটওয়্যার, সেইসঙ্গে পেপসিকো উত্তরপ্রদেশে ২৮০০ কোটি টাকা ব্যয় করে ইউনিট স্থাপনের জন্য এগিয়ে এসেছে।সূত্রের খবর, মাইক্রোসফট এবং এম এ কিউ সফট্ওয়ারে নয়ডায় এবং পেপসিকো মথুরায় তাদের কারখানা নির্মাণ শুরু করেছে।

এই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে উৎসাহিত, ইউএস ইন্ডিয়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের সাথে যুক্ত আরও বেশ কয়েকজন মার্কিন বিনিয়োগকারী ও উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে। MSME এবং রপ্তানি উন্নয়ন মন্ত্রী সিদ্ধার্থ নাথ সিং বলেছেন, যে ফোরামের সাথে যুক্ত মার্কিন বিনিয়োগকারীরা এই বিষয়ে ইউপি সরকারের সাথে যোগাযোগ করেছেন।

এই সংস্থাগুলির চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ,অটোমোবাইল আইটি এবং ডিজিটাল পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে বিনিয়োগে বিশেষ আগ্রহী। ইতিমধ্যে অ্যাডোব,অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, ডেলফি নিউ হলান্ড, গ্লোবাল লজিক, এক্সেল, পেপসিকো, সিনোপসিস এবং কারগিলের মতো কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যে ভারতে কাজ করছে, যখন মাইক্রোসফট, ম্যাককিউ সফটওয়্যার নয়ডা তে এবং পেপসিকো ইউপিতে তাদের ইউনিট স্থাপনের প্রচেষ্টা অনেক গুন বাড়িয়েছে।

সিং আরো বলেছেন, যোগী আদিত্য নাথ সরকার গত সাড়ে চার বছরে আমেরিকান কোম্পানি সহ ৪০ টিরও বেশি বিদেশি কোম্পানি ইউপিতে প্রায় ১৭০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে। এম এ কিউ ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড কেও প্লান্ট স্থাপনের জন্য নয়ডা সেক্টরে ১৬৩৫০ বর্গমিটার জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। আইটি মেজর তার ইউনিট স্থাপনের জন্য ২৫২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে যা প্রায় ২৫০০ লোকের কর্মসংস্থান করবে।

বহুজাতিক খাদ্য ও পানীয় কোম্পানি পেপসিকো ইতিমধ্যে মথুরার কোসি কালানে একটি আলুর চিপস তৈরির কারখানা স্থাপন করছে।এই প্রকল্পে প্রায় ১৫০০ জন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান পাবে। এইরকম ভাবে যোগী আদিত্যনাথ এর উত্তরপ্রদেশে ঘটছে শিল্পন্নতি। বেড়ে চলেছে ক্রমবর্ধমান শিল্প। বাড়ছে রুজি-রোজগার। কর্মসংস্থান হচ্ছে সাধারন মানুষের।