দু’কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য পদার্থ জমা দিলেই মিলছে 6 টি ডিম উপহার স্বরূপ..

এবার ঠান্ডা পানীয় খালি বোতল, প্লাস্টিকের প্যাকেট জমা দিলেই মিলছে আধ ডজন ডিম। এমন কী ইতিমধ্যে তেলেঙ্গানায় একেবারে বিনা মূল্যে এমন উপহার পেতে দু কেজি ওজনের প্লাস্টিক জমানোদের ভিড় লেগেছে। এক্ষেত্রে একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয় এমন প্লাস্টিক বর্জ্য পদার্থ গুলিকে দু’কেজি জমিয়ে পৌরসভার কর্মীদের হাতে তুলে দিলেন উপহারস্বরূপ মিলছে 6 টি ডিম।আর এক্ষেত্রে এক কেজি প্লাস্টিক জমা দিলে পাওয়া যাচ্ছে তিনটি ডিম এমনটি ঘোষণা করেছে তেলেঙ্গানা কামারেডি জেলার কালেক্টর এন সত্যনারায়ন।

কিছুদিন আগে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও জনস্বার্থ ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য single- used প্লাস্টিককে বর্জনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে একথা তিনি অনুমান করেছিলেন যে ঘোষণা করার পরেই যে রাতও রাতে যে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে তা নয় তার দরুন তিনি এবার জেলার কালেক্টর এন সত্যনারায়ন কে প্লাস্টিকের বদলে এই ডিম উপহার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ডিম উপহার করার ঘোষণা করার পরে এরকম এক নির্দেশ পেয়ে সেখানকার পৌরসভার কর্মীরা কয়েকটি বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে নিয়ে প্লাস্টিক জমা দিয়ে ডিম উপহার দেওয়ার জন্য বিভিন্ন এলাকায় প্রচার কাজে নেমে পড়েন।

এক্ষেত্রে 2 কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য পদার্থ জমা দিলেই হাতে নাতে দেওয়া হচ্ছে ডিম, পরসভা কর্মীদের এমন স্লোগান শুনে ঘরে ঘরে প্লাস্টিক বোতল পলিথিনের তৈরি জিনিস জমা করার হিড়িক লেগে গিয়েছে তেলেঙ্গানা গ্রামেগঞ্জে। সেখানকার জেলার এক অধিকারীক জানিয়েছেন তিন মাস আগে প্রথম এই প্লাস্টিক মুক্ত সমাজ এ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছিল আর এখনও পর্যন্ত 14,900 কিলোগ্রাম একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য পদার্থ জমা করতে পেরেছি আমরা।

এখানেই শেষ নয় তিনি আরো জানান যে এবার এই কর্মসূচিতে সকল জনগণ যাতে ঐক্য ভাবে অংশ নিক সেটা চান তারা। তবে এখন প্রশ্ন ডিম উপহার দেওয়ার কথাটি কী ভাবে এলো এই নিয়ে সাংবাদিকের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষকে প্লাস্টিক বর্জ্য পদার্থের ব্যবহারের ক্ষতির সম্পর্কে জানানো, তাদের এ বিষয়ে সচেতন করা। আর ডিম দেওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে এই কর্মসূচীতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ানো।

Related Articles

Close