ব্রেকিংঃ আগামী ৩০ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় স্তব্ধ হয়ে যাবে গোটা ভারত, কড়া নির্দেশ জারি মোদি সরকারের

কেন্দ্র সরকার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে গোটা দেশে প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি ‘পরাক্রম দিবস” পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । গতকাল এই বিষয় ঘোষণা করা হয়েছে৷  মহত্মা গান্ধীর মৃত্যু দিন প্রতি বছর ৩০ জানুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়। কেন্দ্র সরকারের নতুন নির্দেশ মত ৩০ জানুয়ারি শহীদ দিবস এর দিন  দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে  প্রাণ বিসর্জন দেওয়া মহান বিপ্লবীদের সন্মানে দুই মিনিট নীরবতা পালন করার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে৷

৩০ জানুয়ারি স্বাধীনতার জন্য বলিদান দেওয়া বিপ্লবীদের স্মরণ করা হবে।  এখন থেকে  প্রতিবছর ৩০ জানুয়ারি শহীদ দিবস রূপে পালিত হবে। সমস্ত রাজ্য সরকার আর কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে  এই বিষয় নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে৷  স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণে সকাল ১১ টায় দুই মিনিট নীরবতা পালন করার জন্য মৌন থাকতে বলা হয়েছে। সকাল ১১ টায় গোটা দেশে কাজ এবং  সবরকম গতিবিধি স্তব্ধ থাকবে। দুই মিনিট মৌন ব্রত পালন হবে।

জনগণের পয়সায় খাওয়া বন্ধ হল সংসদের, ক্যান্টিনের কোনও খাবারেই আর ভর্তুকি দেবে না কেন্দ্র

যেখানে যেমন ব্যবস্থা আছে, সেখানে সেভাবেই সকাল ১০ঃ৫৯ নাগাদ সবাইকে অ্যালার্ট করে দেওয়া হবে। সাইরেন থাকলে সাইরেন বাজিয়ে সবাইকে অ্যালার্ট করে দেওয়া হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে যে, এবার থেকে এই নির্দেশিকা কড়া ভাবে পালন করতে হবে।

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,  ১৯৪৮ সালে দিল্লীর বিড়লা ভবনে বিকেলের প্রার্থনা সভায় মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধীকে গুলি করা হয়েছিল। তারপর ওনার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই প্রতিবছর ৩০ জানুয়ারি শহীদ দিবস উপলক্ষে পালিত হয়। ৩০ জানুয়ারির দিন মহত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।