মাথায় হাত দিয়েই জেনে যাচ্ছেন মনের কথা, হিমালয় থেকে নেমে আসা ১৮ ইঞ্চির সাধু

কয়েক সপ্তাহ থেকেই হরিদ্দারের কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অবশ্যই এই বছরে করোনা সতর্কতাঃ বিধি মেনেই এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যান্য বছরের ন্যায় পূণ্যার্থীদের আশীর্বাদ দেবার জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন সাধুরা জমায়েত হয়েছে ওই কুম্ভ মেলায়। এবার কুম্ভ মেলায় যে সাধুটি সকলের নজর কেড়েছেন তিনি হলেন ১৮ ইঞ্চি মাপের একজন সাধক এবং অনেক অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।

 

অন্যান্য বারের মত এবারও কুম্ভ মেলায় জমায়েত হয়েছে নাগা সন্ন্যাসীদের একটি দল। বিগত কয়েক শতাব্দী আগে শঙ্করাচার্যের হাত ধরেই নাকি এই নাগা সন্ন্যাসীদের উৎপত্তি ঘটে। চুলে জটাধারী গায়ে ছাইভস্ম মেখে এই সন্ন্যাসীরা সংসার ত্যাগ করে ঈশ্বর সাধনায় মগ্ন হন।

অনেক ভক্তই বিশ্বাস করেন যে এই নাগা সন্ন্যাসীরা বসবাস করেন হিমালয়ের গহনে বা বরফের পাহাড়ের উপর। এছাড়াও বিশ্বাস করা হয় যে এই সমস্ত সন্ন্যাসীদের অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করা থাকে। দীর্ঘদিন তারা হিমালয়ের কঠিন অবস্থায় তপস্যা করে নানা অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করে। নাগা সন্নাসীদের দর্শন পাওয়ার জন্য নানা পুণ্যার্থীরা যান কুম্ভ মেলায়।

এই বছরের কুম্ভ মেলায় এক নাগা সন্ন্যাসী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে যার নাম নারায়ণ নন্দ গিরি মহারাজ। যার উচ্চতা মাত্র ১৮ ইঞ্চি। ৫৫ বছর বয়সী এই সন্ন্যাসী গলায় ঝোলান জুতোর মালা। এবার এই সাধুর একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে সকলের বিশ্বাস যে এই সন্ন্যাসী নাকি সকলের মাথায় হাত দিলেই তাদের মনের খোঁজ পেয়ে যান। এমনকি মে মানুষটির মাথায় হাত থাকে সেই মানুষটি মানসিক এবং শারীরিক দিক থেকে সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। এক সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে এই খবরটি উঠে এসেছে। তবে এই খবরের সত্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে।