রাজধানীর পরিস্থিতি সামলাতে অতিরিক্ত ১৫ কোম্পানি Paramilitary Force

প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলকে(Tractor Rally) কেন্দ্র করে তুলকালাম হয় রাজধানীর একাধিক এলাকায়। সিঙ্ঘু, টিকরি ও গাজিপুর সীমান্তে পুলিসের সঙ্গে সংঘর্ষ  হয়৷ লালকেল্লায় পুলিসের বাধা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে আন্দোলনকারীরা। দিল্লিতে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে গোলমাল হওয়ার পর  পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিস৷ এবিষয়ে টানা দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই অমিত শাহ রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নিলেন। স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা অমিত শাহকে সবটা জানিয়েছেন বিস্তারিতভাবে৷

আন্দোলনকারীদের লালকেল্লার আশপাশ থেকে সরানোর জন্য  আরও ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কেন্দ্র।  এদের মধ্যে ১০ কোম্পানি CRPF ও ৫ কোম্পানি অন্যান্য বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বৈঠকে এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিস(Delhi Police) কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, “লালকেল্লা ও আইটিওর রাস্তা খালি করতে যতদূর সম্ভব শক্তি প্রয়োগ করা হবে।

মিছিলের আগে কৃষকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচান হয়েছিল। পুলিসের নির্দিষ্ট করা রুটে তারা যেতে রাজী হলেও শেষপর্যন্ত তা মানেননি তারা। হাঙ্গামা করেছেন কৃষকরা। এতে বহু পুলিস আহত। কৃষকদের কাছে অনুরোধ, পুলিসের নির্দিষ্ট করে দেওয়া পথ ধরে ফিরে যান।”

 

কৃষকদের লালকেল্লা দখলের ছবি নিয়ে এবার “দিলজিৎ-প্রিয়াঙ্কা”-কে নিশানা কঙ্গনার

পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং বলেন, ” যাঁরা প্রকৃত কৃষক তারা রাজধানী থেকে ফিরে যান।  দিল্লির পরিস্থিতি দেখে অবাক হয়েছি। কিছু লোক যারা হাঙ্গামা করেছে  তা একেবারই গ্রহণযোগ্য নয়। কৃষকরা এতদিন যেরকম শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলেন তাকে কালিমালিপ্ত করল আজকের ঘটনা।”