দিনের পর দিন কমছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম! কিন্তু নিশ্চুপ হয়ে আছে দেশের বিরোধীরা ও মিডিয়ারা।

কোথায় বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলি ? কোথায় এখন মিডিয়া ? তারা কি সমালোচনা করার নতুন বিষয় খুঁজছে। দেশের মিডিয়া রাজনৈতিক দলগুলির কাছে যেভাবে বিক্রি হয়ে গেছে , তারই প্রমান হাতেনাতে পাওয়া যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক স্থরে ডিজেল ও পেট্রোলের মূল্য আকাশ ছোঁয়ায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। এই পেট্রোলিয়াম এর মূল্য বৃদ্ধির ইস্যুকে কেন্দ্র করে বামপন্থী ও কংগ্রেস বিজেপিকে নাজেহাল করে দিয়েছিল। গত সেপ্টেম্বর মাসে পেট্রোলের মূল্য প্রায় ৯০.৭৫ টাকা পর্যন্ত পৌছেগিয়েছিল ।শুধু ভারতেই নয় সে সময় অনেক দেশেই ক্রুড অয়েল এর দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল, তার সঙ্গে খাদ্য ও অন্যান্য ইত্যাদি জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।

বিশ্বের মিডিয়া যখন পেট্রোলিয়াম এর মূল্য বৃদ্ধিকে আন্তর্জাতিক ইস্যু বলেছিল, সেখানে আমাদের দেশের মিডিয়া এটিকে কেন্দ্রীয় সরকারের গাফেলতি বলেছিল। যখন কেন্দ্রীয় সরকার তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে লাগাম দেওয়ার জন্য সকল প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল, তখন মিডিয়া ১ পয়সা তেলের মূল্যবৃদ্ধি হলেও কেন্দ্র সরকারকে সমালোচনার সম্মুখীন করে তুলছিলো ।আর এখন কোথায় সেই মিডিয়া ?যেখানে দিন দিন পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য কমে চলেছে সেখানে মিডিয়া সম্পূর্ণ নিশ্চুপ হয়ে পড়েছে। আপনি হয়তো ভালোভাবে লক্ষ্য করেননি, কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ থেকে তেলের মূল্য প্রায় কমে চলেছে। শনিবার দিন রাজধানীতে ডিজেলের মূল্য হয়েছিল ৭২ টাকা ৫৮ পয়সা এবং পেট্রোলের দাম ৭৭ টাকা ৮৯ পয়সা।

গতকালের রিপোর্ট অনুযায়ী দিল্লিতে পেট্রোলের দাম কমে হয়েছে ৭৭ টাকা ৫৬ পয়সা এবং কলকাতায় পেট্রোলের দাম কমে হয়েছে ৭৯ টাকা ৪২ পয়সা। একইভাবে দিল্লিতে ডিজেলের দাম কমে হয়েছে ৭২ টাকা ৩১ পয়সা এবং কলকাতায় ডিজেলের দাম কমে হয়েছে ৭৪ টাকা ১৭ পয়সা ।যেখানে কয়েকদিন আগে কংগ্রেস ও বামপন্থীরা পুজোর পর পেট্রোলের মূল্য ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে দাবি করেছিল কিন্তু এবার হচ্ছে তার বিপরীত, লাগাতার কমে যাচ্ছে পেট্রোলের দাম। আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে জানা গিয়েছে ইরান থেকে খনিজ তেল আমদানিতে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা জারি উঠিয়ে নিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও খনিজ তেলের দাম কমার আশঙ্কা রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close