Categories
নতুন খবর রাজনৈতিক

দলে যোগদান দেওয়ার জন্য মুকুলের সরাসরি আহ্বান, তৃণমূলের দুই প্রাক্তন মন্ত্রীকে…

এক সময় উভয় রাজ্যের মন্ত্রী থাকলেও তাদের সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায়। খোলা সূত্রে জানা যায় পারস্পরিক বিবাদের কারণে তাদের মন্ত্রিত্ব খোয়া গেছে। তাই তারা দলের মধ্যে ব্রাত্য হয়ে আছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের এই দুই বিশিষ্ট নেতাকে বিজেপিতে যোগদান দেওয়ার জন্য মুকুল রায় আমন্ত্রণ জানালে। এই দুই নেতা হলেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ান চৌধুরী এবং সাবিত্রী মিত্র। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুকুল রায় গত এক বছর ধরেই বিজেপিতে রয়েছেন তা আমরা সবাই জানি। শুক্রবার মালদা কলেজের, কলেজ অডিটোরিয়ামে দলীয় এক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মুকুল রায়।

ওই সভাতে তৃনমূলের এই দুই নেতা সম্বন্ধে মুকুল রায় বলেন, ‘ এই জেলার হেভিওয়েট নেতা অর্থাৎ কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী এবং সাবিত্রী মিত্র দলের কাছে এখন ব্রাত্য নন। তারা যদি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আবেদন করে তাহলে তা নিয়ে দল ভাববে।’ এই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের দু’নম্বর ব্যক্তির মুখে এ ধরনের কথাবার্তা শুনে হইচই পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলে। আরো একটি তথ্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলের চরম শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আপনারা হয়ত জানতেন না রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী এবং মুকুল রায় একসঙ্গে ট্রেনে বসে দীর্ঘ সময় ধরে যাত্রা করেছিলেন।

এমনকি একই কামরাতেই ছিলেন দুইজনা। আর এটা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়তেই এই নিয়ে মন্তব্য করলেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। তিনি বললেন,’ বিজেপিতে যাওয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সৈনিক।’ ট্রেন সফরের নিয়ে তিনি বলেন মুকুল রায় যে ট্রেনে মালদহ আসেন আমি সেই ট্রেনের ই একই কামরাতে ছিলাম। তবে আলাদা আলাদা আসনে। মুকুল রায় বা বিজেপির কোন নেতার সাথে কথা হয়নি কৃষ্ণবাবুর।